নিউজপোল ডেস্ক:‌ ‌কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার দাবিতে অবস্থানে বিক্ষোভে বসেছিলেন এনআরএস–এর জুনিয়র ডাক্তাররা। একে একে তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজ্যের অন্য সব সরকারি মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র ডাক্তাররা। এবার সেই আন্দোলনে সামিল হল দিল্লি থেকে হায়দরাবাদ, কটক থেকে জয়পুরের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজ। পুড়ল পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কুশপুতুল।
বৃহস্পতিবারই দিল্লির এইমস জানিয়ে দিয়েছিল, এনআরএস–এ আক্রান্ত জুনিয়র ডাক্তারদের পাশে রয়েছে। এদিন এইমস–এক প্রবীণ চিকিৎসকরা মাথায় হেলমেট পরে রোগী দেখলেন। এটাই তাঁদের প্রতিবাদ। দিল্লির স্যর গঙ্গা রাম হাসপাতালে সমস্ত ওপিডি বন্ধ রাখা হয় এদিন। বেঙ্গালুরুতে মিছিল করেন ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের বেঙ্গালুরু শাখা। কলকাতার এনআরএস–এর পাশে রয়েছেন, বার্তা দিলে হায়দরাবাদে সকালে প্রতীকী বিক্ষোভ করেন চিকিৎসকরা। এই প্রতীকী বিক্ষোভে সামিল হন নিজাম’‌স ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স, গান্ধী হাসপাতালের চিকিৎসকরা। পাঞ্জাবের লুধিয়ানার সিভিল হাসপাতালেও প্রতিবাদ জানালেন চিকিৎসকরা।

পাতিয়ালা হাসপাতালেও প্রতিবাদ চিকিৎসকদের

জয়পুরের জয়পুরিয়া হাসপাতালে কালো ব্যাজ পরে রোগী দেখলেন চিকিৎসকরা। ছত্তিশগড়ের রাজধানী রায়পুরের ডা:‌ ভিমরাও আম্বেদকর হাসপাতালে ‘‌বিচার চাই’‌ স্লোগান তুললেন চিকিৎসকরা। কেরলের তিরুবনন্তপুরম, নাগপুর, পাতিয়ালা, মহারাষ্ট্রের রেসিডেন্ট ডাক্তাররাও সামিল হন প্রতিবাদে। সকলেরই দাবি একটাই, কর্মক্ষেত্রে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।