নিউজপোল ডেস্ক: দেশের জন্য সেনাবাহিনীর জওয়ানেরা প্রাণ দিয়েই থাকেন। কিন্তু ক’‌জন আছে, যাঁরা মৃত্যুর পরেও দেশের রক্ষা করে যান? বাবা হরভজন সিং ছাড়া খুব বেশি উদাহরণ আছে বলে মনে হয় না। ১৯৫৬ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন বাবা হরভজন। ১৯৬৫ সালে কমিশন পাওয়ার পর ১৪ রাজপুত রেজিমেন্টের অংশ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন সিকিমের নাথুলা পাস-এ। দুর্ভাগ্যবশত, দুর্ঘটনায় আক্রান্ত হয়ে নাথুলা পাসেরই এক হিমবাহতে পড়ে প্রাণ হারান তিনি।

কথিত রয়েছে, নিজের অনুসন্ধানকারীদের নিজেই পথ দেখিয়ে দুর্ঘটনাস্থলে নিয়ে যান বাবা হরভজন। এরপরেই সেনানীদের দৃঢ় বিশ্বাস হয়, মারা গিয়েও তাঁদের সঙ্গেই রয়েছেন বাবা হরভজন। তাঁর অলৌকিক শক্তি এবং অপার সাহসকে সম্মান জানাতে তাঁর নামে একটি মন্দিরও তৈরি করেন জওয়ানরা। তাঁদের বিশ্বাস, হরভজনের আত্মা এখনও কর্তব্যে অবিচল এবং সেনানীদের বিপদে আগে থেকে সাবধান করেন। এই মন্দিরের জলের নাকি ক্ষমতা রয়েছে রোগ সারিয়ে তোলার। হরভজনের পোশাক এবং জুতো নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় এবং মন্দির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা সেনারা খালি পায়ে সেই কর্তব্য পালন করে থাকেন। সিকিম ঘুরতে আসা যে কোনও পর্যটকের কাছেই এই মন্দির একটি দ্রষ্টব্য স্থান।