নিউজপোল ডেস্ক: আপনি চান বা না চান, সকালে উঠে সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় নরেন্দ্র মোদীর মুখ দেখতেই হবে। খবরের শিরোনামে থাকার অভ্যেস তাঁর বহুদিনের। নরেন্দ্র মোদীর ভাই প্রহ্লাদ মোদী, তিনি যে দাদার চরিত্রের কিছু গুণ পাবেন তা বলাই বাহুল্য। খবরে থাকার ইচ্ছা তাঁরও কম নয় তা গতকালের ঘটনায় প্রমাণ পাওয়া গেল। গতকাল, সড়কপথে আহমেদাবাদ থেকে হরিদ্বারে যাচ্ছিলেন প্রহ্লাদ। জয়পুর-আজমের সংযোগকারী রাস্তায় হঠাৎ বেঁকে বসেন তিনি। কারণ তাঁকে পুলিশ প্রহরা দেওয়া হয়নি। এর জন্য কিছু সমর্থক সঙ্গী করে স্থানীয় বগড়ু থানায় ধরনায় বসে যান এবং লাগাতার পুলিশ এসকর্টের দাবি করতে থাকেন। দুইজন পিএসও (প্রোটেক্টিভ সার্ভিস অফিসার) দেওয়া হলেও সেক্ষেত্রে পুলিশের গাড়ি ব্যবহার করার দাবি জানান তিনি, যা সম্পূর্ণ প্রশাসনিক নিয়ম-বহির্ভূত।

জয়পুরের পুলিশ কমিশনার আনন্দ শ্রীবাস্তব বলছেন, ‘প্রহ্লাদ মোদী সড়কপথে জয়পুর আসছিলেন। তিনি বারবার এসকর্টের দাবি করছিলেন যার উপযুক্ত নন। আমাদের ওপর নির্দেশ আছে তাঁকে শুধুমাত্র দু’জন পিএসও প্রদান করার যা আগে থেকেই থানায় মজুদ ছিল। কিন্তু প্রহ্লাদ মোদী তাঁদের নিজের গাড়িতে নিয়ে যেতে সম্মত হননি। আলাদা পুলিশ গাড়ির দাবি করছিলেন যা কোনও অবস্থাতেই সম্ভবপর নয়।’ আসলে, প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয় হওয়ার সুবাদে কিছু নিরাপত্তা দেওয়া নিয়মেই আছে। প্রহ্লাদ মোদীর সঙ্গে আগে থেকেই যে নিরাপত্তা রক্ষীরা ছিলেন তাঁরা, জয়পুরের দুদু গ্রামীণ এলাকার পর তাঁরা আর যেতে অস্বীকার করেন। এই নিয়েই ক্ষোভ প্রহ্লাদের। বগড়ু থানা থেকে ফের দুই নিরাপত্তা রক্ষী দিয়ে বুঝিয়ে সুঝিয়ে তাঁকে হরিদ্বারের রাস্তায় পাঠানো হয়।