নিউজপোল ডেস্ক:‌ বারবার অভিযোগ করা হয়েছে, জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতির কারণেই বিনা চিকিৎসায় সাগর দত্ত হাসপাতালে মারা গেল ৩ দিনের শিশু। কিন্তু মৃত শিশুর বাবা অন্য কথা বলছেন। তিনি জুনিয়র ডাক্তারদের কোনও দোষ তো দিলেনই না, বরং আঙুল তুললেন পুলিশের দিকে। বললেন, সাগর দত্ত থেকে অন্য হাসপাতালে শিশুটিকে রেফার করা হয়। কিন্তু কলকাতার তিন–তিনটি হাসপাতালে পুলিশ তাঁকে ঢুকতেই দেয়নি। তিনি এও জানালেন, তাঁর শিশুর অবস্থা দেখে কেঁদে ফেলেন এক জুনিয়র ডাক্তার।
এনআরএস–এ জুনিয়র ডাক্তারদের মারধরের প্রতিবাদে অবস্থান বিক্ষোভে বসে রাজ্যের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র ডাক্তাররা। ব্যতিক্রম নয় কলেজ অফ মেডিসিন অ্যান্ড সাগর দত্ত হাসপাতাল। অভিযোগ ওঠে, জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতির কারণে চিকিৎসা পায়নি একটি সদ্যোজাত শিশু। তাই সে মারা যায়। এই নিয়ে চিকিৎসকদের নিন্দায় সরব হয় বিভিন্ন মহল। কিন্তু এবার শিশুর বাবাটির বয়ান অন্য কথাই বলছে। ১১ জুন সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজেই জন্মায় শিশুটি। জন্মের পরেই তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। হাসপাতালে ভেন্টিলেশন ছিল না। বাধ্য হয়েই অন্য হাসপাতালে শিশুটিকে রেফার করেন চিকিৎসকরা। তাঁদের চিঠি পকেটে নিয়ে এসেসকেএম, ফুলবাগান, চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে যান শিশুটির বাবা। কিন্তু অভিযোগ, অনেক অনুরোধ করা সত্ত্বেও পুলিশ তাঁকে সেখানে ঢুকতে দেয়নি। চিকিৎসা না পেয়ে মারা যায় শিশুটি। তার বাবা জানিয়েছে, এক জুনিয়র ডাক্তার তাঁকে যথাযথ সাহায্য করেছেন। তাঁদের হয়ে চারবার স্বাস্থ্যভবনে ফোন করেছেন। কিন্তু কেউ ফোন তোলেনি। শেষ পর্যন্ত ওই জুনিয়র ডাক্তার কেঁদে ফেলেন।

ছবি ইন্টারনেট থেকে