নিউজপোল ডেস্ক:‌ ৪ জুলাই, বৃহস্পতিবার প্রবল ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ক্যালিফোর্নিয়া। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৬.‌৪। পরের দিন আরও জোড়ালো ভূমিকম্প হয় ক্যালিফোর্নিয়ায়। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.‌১। এই ভূমিকম্পের কেন্দ্র রিজক্রেস্ট থেকে ১১ মাইল উত্তর–পূর্বে। ভূমিকম্প হয়ে গেছে মানে বিপন্মুক্ত, এ রকম ভাবার কারণ নেই। কোনও অঞ্চলে ভূমিকম্পের পর একের পর এক আফটার শক হতে থাকে। কোনও কোনও আফটার শকের তীব্রতা এতটাই বেশি হয়, যে তা ধ্বংসলীলা চালায়। ক্যালিফোর্নিয়াতে শুক্রবার থেকে আফটার শকের সংখ্যা ৪৭০০।

অর্থাৎ শুক্রবার থেকে ৪৭০০ বার কেঁপেছে ক্যালিফোর্নিয়া। তার মধ্যে ৩০০০টি আফটার শকের ক্ষেত্রে কম্পনের মাত্রা ছিল ১ বা তার বেশি। মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, শুক্রবার থেকে গড়ে প্রতি মিনিটে একটি করে আফটার শক হয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ায়। আমেরিকার এই শহরকে দুনিয়ার ‘‌ভূমিকম্প রাজধানী’‌ বলা হয়ে থাকে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে প্রতি বছর এমনিতে বহুবার ভূমিকম্প হয় ক্যালিফোর্নিয়ায়। সঙ্গে চলে আফটার শক। তবে ৫ জুলাই থেকে যা ঘটেছে, তা প্রায় নজিরবিহীন। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ভূমিকম্পের যা তীব্রতা ছিল, তা গত ২০ বছরে প্রত্যক্ষ করেনি ক্যালিফোর্নিয়া।

কম্পনের একের পর এক ভিডিও সোশ্যাল সাইটে পোস্ট হয়েছে। কোথাও দেখা যাচ্ছে, ঝাড়বাতি দুলছে। কোনও ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে সুইমিং পুলের জল উপচে পড়ছে। বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এতবার কেঁপে উঠছিল শহর, তাঁরা ভয়ে সারা রাত খোলা আকাশের নীচেই কাটিয়েছেন। অনেক বহুতল খালি করে দিয়েছিল প্রশাসন। সান বার্নারডিনো এবং কার্ন কাউন্টিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়।