নিউজপোল ডেস্ক: মার্চ মাস শেষ। সামনেই প্যাঁচপ্যাঁচে গরমকাল। এই সময় রাম, হুইস্কি, ভদকা সেবন করা থেকে সাত হাত দূরে থাকেন অনেকেই। একমাত্র ভরসা ‘চিল্‌ড বিয়ার’। সারাদিন পরিশ্রম করার পর বাড়ি ফিরে এক বোতল ঠান্ডা বিয়ার দেহে মনে শান্তি এনে দেওয়ার সেরা দাওয়াই। কিন্তু বিয়ার মানে তো মদ! মদ খাওয়া তো স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর! না, বিয়ার মোটেই স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক নয়, বরং শরীর সুস্থ রাখতে প্রতিদিন বিয়ার খাওয়া উচিত। আমি বলছি না একথা, বলছে বিজ্ঞান। বিভিন্নরকম বৈজ্ঞানিক সমীক্ষার ফলাফল ঘেঁটে যা জানা যাচ্ছে তা হল:-

১) বিয়ার শুধুমাত্র ভাঙা মনের ক্ষতে প্রলেপ দেয় না। আমেরিকান জার্নাল অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস এর রিপোর্টে জানা যাচ্ছে হৃদ্‌জনিত সমস্যা দূর করতেও দারুণ কাজ করে।

২) জার্নাল কনশাসনেস অ্যান্ড কগনিশন-এ প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী বিয়ার খেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ে। বাড়ে সৃজনশীলতাও।

৩) জার্নাল অব এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড ফুড কেমিস্ট্রি’র এক গবেষণা বলছে বিয়ারে এমন এক উপাদান আছে যা অ্যালঝাইমার রোগ প্রতিষেধকের কাজ করে।

৪) এন্ডোক্রিনোলজি বিষয়ক এক আন্তর্জাতিক জার্নালের মতানুযায়ী, বিয়ার সেবনে মানব দেহের হাড়ের ঘনত্ব বাড়ে। মত্ত অবস্থায় কেউ হাড়ে চোট পেলেও আঘাত গুরুতর হওয়ার সম্ভাবনা কম।

৫) কানাডার একদল গবেষক বলছেন, রোজ এক বোতল বিয়ার খেলে চোখে ছানি পড়ার সম্ভাবনা কমে যায় ৫০ শতাংশ।

৬) বিয়ার সেবনে কমে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা। আমেরিকান জার্নাল অব এপিডেমিনোলজি বলছে দৈনিক বিয়ার সেবন এই রোগের সম্ভাবনা ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দেয়।

৭) বিয়ার আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। বলছে ওরেগন হেল্‌থ অ্যান্ড সায়েন্স ইউনিভার্সিটি।

৮) জার্মান ক্যানসার রিসার্চ সেন্টারের এক গবেষণা থেকে জানা গেছে মূত্রথলির ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয় বিয়ার।

৯) জার্নাল অব এগ্রিকালচার অ্যান্ড ফুড কেমিস্ট্রি দাবি করেছে, গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড উৎপাদনের সঙ্গে বিয়ারের যোগাযোগ আছে। ফলত, ডিনারের পর বিয়ার খেলে তা হজমে বিশেষ সহায়তা করে।

১০) স্থুলতা কমাতে এবং ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে বিয়ার, বলছে জার্নাল অব সেল মেটাবলিজম-এর এক গবেষণা।