নিউজপোল ডেস্ক: ভাই-দিদির সম্পর্কে সারাদিন খিটিমিটি লেগেই থাকে। তবুও দৃঢ় বন্ধন যেন উভয়ের। বন্ধুত্বের সম্পর্কের থেকেও বেশি কিছু। দিদিরা সবসময় একটু বেশিই দায়িত্বশীল হন। মায়ের মতো শাসন করেন যেমন, তেমন বন্ধুর মতো আগলেও রাখেন দিদি। সর্বোপরি উন্নত মানুষ বানাতে দিদিদের জুড়ি মেলা ভার, এমনই দাবি করেছেন ব্রিগহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। সহকারী অধ্যাপক তথা গবেষক অ্যালেক্স জেনসেন বলেন, ‘সামাজিক দক্ষতার বিকাশে দিদিদের জুড়ি মেলা ভার।’
মানসিক স্বাস্থ্যোন্নতি: মনমরা হয়ে বসে আছেন? দিদির সাহায্য নিন। গবেষকদের মতে, ভাই বা বোনের একাকিত্ব, ভয়, মনখারাপ দূর করতে পারেন দিদিরা। এমনকী, বাবা ও মায়ের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে জড়তা থাকলে সেখানেও সেতুর ভূমিকা নেন দিদিরাই। জেনসেন আরও বলেন, ‘ভাই ও বোনের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে দিদিদের বিশেষ অবদান রয়েছে।’
সংবেদনশীল: ঝগড়াঝাটি, বাগবিতণ্ডা হলেও দিদিরা স্নেহের চাদরে আগলে রাখতে পারেন। যার ফলে ভাইবোনের মধ্যে সমবেদনাবোধ তৈরি হয়। ব্রিগহ্যাম ইয়ং ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, দানশীল ও দয়ালু হওয়ার ক্ষেত্রেও দিদিদের আচরণের প্রভাব রয়েছে।
বুদ্ধিমান: প্রয়োজনে বাবা, মায়ের ভূমিকা পালন করেন দিদি। যে কোনও কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলায় সহায়তা করতে পারেন তাঁরা। এর মাধ্যমে শিক্ষা পেতে পারেন কনিষ্ঠরাও। বুদ্ধিমত্তার বিকাশ ঘটে এর ফলে।
ব্রিগহ্যাম ইয়ং ইউনিভার্সিটির সমীক্ষায় প্রাপ্ত তথ্য উঠে এসেছিল ২০০৯ সালের একটি গবেষণাতেও। ১৭ থেকে ২৫ বছরের ৫৭১ জন তরুণ অংশ নিয়েছিলেন এই সমীক্ষায়। সম্প্রতি সেই কথাই আবারও প্রমাণ করলেন ব্রিগহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা।