নিউজপোল ডেস্ক: ভারতের কাছে ভরাডুবির পর পরপর চারটে ম্যাচ জিতেছিল পাকিস্তান। তাতেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডের মতো বড় দলের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে সরফরাজ আহমেদের দলকে। ফলত, সে দেশের সমর্থকদের মাথায় আগুন উঠে গেছে। রাগের ঝাল ঝাড়তে সোশ্যাল মিডিয়াকেই মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছেন পাক সমর্থকরা। দিনরাত্রি ট্রোলের শিকার হচ্ছেন মহম্মদ আমির বাদ দিয়ে বাকি ক্রিকেটারা। অনেকে আবার সরফরাজ, ইমাম উল হক, ফখর জামানদের পরবর্তী পেশা কী হওয়া উচিত তাও বাতলে দিচ্ছেন।

এক শ্রেণির সমর্থকরা যেমন সেমিফাইনালে না পৌঁছতে পারার ব্যর্থতা নিয়ে মুখর আরেক দলের কাছে ভারতের কাছে পর্যুদস্ত হওয়া বেশি যন্ত্রণাদায়ক। সিরাজ হাসান নামের এক সমর্থক টুইট করেছেন, ‘ডলারের দাম আর ভারতের রান আটকানো আমাদের ক্ষমতার অতীত।’ উজেইর কাদির নামে এক ভক্ত একটি ভিডিও টুইট করে লিখেছেন, ‘আমির বাদে বাকি দলকে আমি যা বলতে চাই।’ সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে পার্লামেন্টে এক ব্যক্তি বিরোধীদের উদ্দেশে বলছেন, ‘এঁদের কিছুটা অন্তত নীতি, কিছুটা অন্তত লজ্জা থাকা উচিত।’

তবে সবচেয়ে নজর কাড়ছে আবুবকর সাদিক নামে এক ব্যক্তির টুইট করা ছবিগুলো। ফোটোশপের মাধ্যমে চারটি ছবিতে সরফরাজকে ফলবিক্রেতা, ফখর জামানকে ট্রাক ড্রাইভার, ইমাম উল হককে জিলিপি বিক্রেতা, ওয়াহাব রিয়াজ এবং উমর আকমলকে রেস্তোরাঁর ওয়েটার বানিয়ে দিয়েছেন সাদিক। টুইটে লিখেছেন, বিশ্বকাপের পর পাক ক্রিকেটাররা। একটু দার্শনিক ঢঙে বিদ্রুপ করেছেন আর এক ব্যক্তি। তিনি লিখেছেন, ‘আমি চাই আমি মারা গেলে সরফরাজ আমাকে কবরে নামিয়ে দিক, যাতে আমাকে ও শেষবারের জন্য নীচে নামাতে পারে।’ এরকমই হাজার হাজার টোলিংয়ের শিকার হচ্ছে পাকিস্তানের ক্রিকেট দল। ভারত বিশ্বকাপ জিতলে প্রতিবেশী দেশের সমর্থকদের কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে পড়বে তাতে সন্দেহ নেই।