নিউজপোল ডেস্ক:‌ গভীর জঙ্গলে একবার পথ হারিয়েছিলেন। ভয়ঙ্কর বিপদে পড়েছিলেন। সেই যাত্রায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কারা বাঁচিয়েছিল, জানেন?‌ এক জোড়া লক্ষ্মী প্যাঁচা আর একটা সাপের। গোপীবল্লভপুরের জনসভায় নিজেই সেই গল্প শোনালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সোমবার ঝাড়গ্রাম কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী বীরবাহা সরেনের সমর্থনে জনসভা করেন মমতা। সেই সভাতেই ২০১২ সালে ঝাড়গ্রামে আসার একটি ঘটনার কথা বলেন দিদি। তার আগের বছরেই মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন তিনি। বলেন, ‘‌২০১২ সালে বন্যার সময় আমি ঝাড়গ্রামে এসেছিলাম। কোনও সিকিউরিটি ছাড়াই ঢুকে পড়েছিলাম জঙ্গলে। জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। ও মা ! হঠাৎ দেখি একটা লক্ষ্মী প্যাঁচা আমার গাড়ির ওপর এসে বসল। আমি ভাবলাম, হয়তো এমনিই বসেছে! খানিকটা যাওয়ার পর দেখি আরও একটা প্যাঁচা! আমাদের ওরা বুঝিয়ে দিচ্ছিল, তোমরা ভুল রাস্তায় ঢুকে পড়েছ। জঙ্গলের মধ্যে আরও কিছুটা যাওয়ার পর দেখি রাস্তা জুড়ে একটা বড় সাপ ফণা তুলে দাঁড়াল। আমি তখন বুঝতে পারি, আর যাওয়া যাবে না। বিপদ আছে।’‌ এর পর তিনি পুলিশকে ফোন করেন। তখন পুলিশ জানায়, যে তাঁরা ভুল রাস্তায় চলে গেছেন। গভীর জঙ্গলের দিকে চলে গেছিলেন তাঁরা।
ফণী নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে যোগ দেননি। এই প্রসঙ্গেই মমতা এই প্যাঁচা আর সাপের গল্প বলেন। বলেন, ‘‌গতবার যখন বন্যা হল, তখন তো তিনি কিছু বলেননি।’‌ এ দিন মমতা আরও একবার ঝাড়গ্রামের স্থানীয় নেতাদের দোষত্রুটির কথা স্বীকার করে নেন। তবে এও বলে দেন, ‘‌আমাদের ভুল বুঝে বিজেপি-র কথায় নাচবেন না। ওরা সর্বনাশ করে দেবে।’‌