নিউজপোল ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ এখন। ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপের বাইরে আমাদের জীবনটা যেন দিনকে দিন ছোট হয়ে আসছে। তেমনি মিথ্যে খবর রটনার সুযোগও বাড়ছে সমানভাবে। তা থেকেই নানা হিংসাত্মক ঘটনার সৃষ্টি হচ্ছে। তাই এই ধরনের ঘটনা ঘটলেই প্রশাসন স্থানীয় এলাকার ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। গত জুন মাসের এরকম নির্দেশের পরিসংখ্যান দেখলে চোখ কপালে ওঠার জোগাড় হবে। সারা ভারতের বিভিন্ন জায়গা মিলিয়ে গত একমাসেই ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ ছিল ১১ দিন। এই হিসেব দেখে অবাক হওয়ার পাশাপাশি আশঙ্কায়ও থাকছে দেশবাসীর। ইন্টারনেটকে ভুলভাবে ব্যবহার করছেন গ্রাহকরা, এমনই দাবি গবেষকদের। ইন্টারনেটকে যে পথে চালিত করা হচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে ঘোরতর সমস্যার মুখে পড়তে চলেছে দেশবাসী, আশঙ্কা করছেন প্রযুক্তিবিদরা।
জুন মাসের ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের তালিকা:
৩০ জুন: কাশ্মীরের বাদগামে এক সন্ত্রাসবাদীকে এনকাউন্টার করা হয়েছিল। সেই কারণে ওই এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ ছিল।
২৩ জুন: সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে জওয়ানদের গোলাগুলির কারণে কাশ্মীরের শোপিয়ান জেলায় বন্ধ রাখা হয়েছিল ইন্টারনেট পরিষেবা।
২০ জুন: তৃণমূল ও বিজেপি-র মধ্যে সংঘর্ষের জেরে উত্তর ২৪ পরগনার অধিকাংশ জায়গায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের নির্দেশ।
১৯ জুন: ইউইএল প্রতিষ্ঠাতা মিরওয়াইজ কাজি নিসার আহমেদের ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে সতর্কতার জন্য অনন্তনাগ এলাকায় বন্ধ ছিল পরিষেবা।
১৪ জুন: পুলওয়ামা জেলায় নিরাপত্তারক্ষীদের গুলিতে দু’জন জঙ্গি নিহত হলে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল।
১২ জুন: স্থানীয় যুবক ও নিরাপত্তারক্ষীদের সংঘর্ষের কারণে ইন্টারনেট বন্ধ ছিল অনন্তনাগে।
১০ জুন: দু’বছরের শিশুকন্যা হত্যার গুজব রটেছিল হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে। তার জেরে উত্তরপ্রদেশের খইর এলাকায় বন্ধ ছিল পরিষেবা।
৯ জুন: পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল ও বিজেপির সংঘর্ষের জেরে বসিরহাট এলাকায় ইন্টারনেট বন্ধ ছিল।
৮ জুন: জইশ-ই-মহম্মদের জঙ্গি নিহত হওয়ার কারণে অনন্তনাগে নিষেধাজ্ঞা।
৫ জুন: ইদ উপলক্ষে গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের জেরে ওড়িশার কেন্দ্রপাড়ায় বন্ধ ছিল ইন্টারনেট।
৩ জুন: জঙ্গিদের সঙ্গে জওয়ানদের সংঘর্ষের জেরে জম্মু ও কাশ্মীরের শোপিয়ান জেলায় বন্ধ ছিল ইন্টারনেট।