নিউজপোল ডেস্ক: ভিডিও গেমের প্রতি কি আপনার অত্যধিক আগ্রহ? তাহলে আপনি ‘গেমিং ডিজঅর্ডার’-এর শিকার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) এমনই দাবি জানালেন গত শনিবার।
অনলাইন গেম বা ভিডিও গেম খেলতে পছন্দ করেন না, এমন মানুষ হয়তো হাতে গোনা। তবে নিন্দেও করেন অনেকে। তাঁরা বলেন, মানসিক ভারসাম্যের অভাব হলে গেম খেলে। এবার খোদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একই অভিযোগ তুলল।
‘হু’-এর ৭২তম বিশ্ব স্বাস্থ্য অধিবেশনে তারা জানিয়েছে, গেমের প্রতি অতিরিক্ত আসক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করা যায়। এমনকী, মাদকাসক্তি বা জুয়ার নেশার থেকে এই নেশা কিছু কম নয় বলেও মত গবেষকদের। তবে শুধু যে অনলাইন গেম-এর ক্ষেত্রেই ‘হু’ এই কথা বলেছেন, তা নয়। অফলাইন গেমের প্রতি আগ্রহীদের মধ্যেও দেখা যায় অস্বাভাবিকতা।

গেমিং ডিজঅর্ডার আসলে কী?‌

১. গেম খেলার ক্ষেত্রে কোনও নিয়ন্ত্রণ থাকে না। সারাক্ষণই খেলা খেলতে ইচ্ছা করে।

২. দৈনন্দিন কাজ এমনকী, ব্যক্তিগত আচরণগুলিতেও তার প্রভাব দেখা যায়। ব্যক্তিগত বিষয়গুলোও তুচ্ছ হয়ে পড়ে।

৩. ভিডিও গেমিংয়ের কুপ্রভাব জানা সত্ত্বেও সারাদিন মোবাইল বা কম্পিউটারে মুখ গুঁজে পড়ে থাকা।

গেমের প্রতি আসক্ত বেশিরভাগ ব্যক্তিই দিনে ২০ ঘণ্টা গেম খেলে সময় নষ্ট করেন। ফলে শুধুমাত্র ব্যক্তিগত সম্পর্কই ক্ষতিগ্রস্ত হয় না, খাওয়াদাওয়া ও ঘুমও উড়ে যায় তাঁদের, এমনই দাবি জানিয়েছেন ‘হু’-এর গবেষক শেখর সাক্সেনা। আমেরিকান সাইক্রিয়াটিক অ্যাসোসিয়েশন-এর ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিক্যাল ম্যানুয়াল অফ মেন্টাল ডিজঅর্ডার-এও ভিডিও গেমিং-এর ফলে অস্বাভাবিক আচরণের প্রবণতার কথা বলা হয়েছে।