নিউজপোল ডেস্ক: হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, ইউটিউব ছাড়াও ডেটিং অ্যাপ টিন্ডার-এর জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। অনলাইনের দুনিয়ায় এগুলির মধ্যেও শুরু হয়েছে লড়াই। নন-গেমিং অ্যাপ্লিকেশনগুলির রোজগার নিয়ে সম্প্রতি এক গবেষণা করেছে ইন্টালিজেন্স ফার্ম সেন্সর টাওয়ার। তাদের পরিসংখ্যান অনুসারে, নেটফ্লিক্স, ইউটিউবকে ছাপিয়ে শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছে ডেটিং অ্যাপ টিন্ডার।

২০১৬ সাল থেকে গত বছর পর্যন্ত আয়ের দিক থেকে তালিকার ওপরে ছিল অনলাইন স্ট্রিমিং অ্যাপ নেটফ্লিক্স। চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত নন-গেমিং অ্যাপগুলির আয়ের হিসেবে তালিকা প্রকাশ করেছে গবেষণা সংস্থাটি। অ্যাপল স্টোরের অ্যাপ্লিকেশনগুলির মধ্যে নেটফ্লিক্স শীর্ষে রয়েছে। তারপর ইউটিউব, টিন্ডার, টেনসেন্ট ভিডিও। অন্যদিকে গুগল প্লে স্টোরের হিসেবে তালিকার ওপরে রয়েছে গুগল ওয়ান। তার নীচে রয়েছে টিন্ডার, প্যান্ডোরা, লাইন-এর মতো অ্যাপগুলি। তবে অ্যাপল স্টোর ও গুগল প্লে স্টোর মিলিয়ে মোট রোজগারের দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে টিন্ডার। গবেষণা সংস্থাটি জানিয়েছে, টিন্ডারের সর্বমোট রোজগারের ১৮ শতাংশ আসে মার্কিন মুলুক থেকে। বাকি হিসেবের মধ্যে ১৩ শতাংশ ব্রাজিল এবং ৪ শতাংশ গ্রেট ব্রিটেন থেকে।

ইন্টারনেটের যুগ। আমরা বাস্তবের মাটিতে যতক্ষণ না থাকি, তার থেকে বেশি মাতামাতি করি ভার্চুয়াল দুনিয়া নিয়েই। রোজগারের বিষয়টি বাদ দিলে ডাউনলোডের দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, মেসেঞ্জার, টিকটকের মতো অ্যাপগুলি। গবেষণা সংস্থাটি জানিয়েছে, অ্যান্ড্রয়েড গ্রাহকরা অনলাইন অ্যাপ্লিকেশনগুলির খাতে খরচ করে প্রায় এক লক্ষ কোটি টাকা। অ্যাপল স্টোরে এই খরচ প্রায় এক লক্ষ ৭০ হাজার কোটি টাকা। গেমিং অ্যাপের জনপ্রিয়তা তো বরাবরই। কিন্তু ইনটেলিজেন্স ফার্ম সেন্সর টাওয়ার-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী একথা পরিষ্কার যে, নন-গেমিং অ্যাপ ছাড়াও সঙ্গী বা সঙ্গিনী খোঁজার জন্য আমরা বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করি অনলাইন মাধ্যমে।