নিউজপোল ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ার জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। গ্রাহকের নিরাপত্তা বাড়াতে এবং হিংসায় লাগাম পরাতে নতুন নতুন নিয়ম চালু করছে সংস্থাগুলি। হিংসা রুখতে টুইটার সম্প্রতি একটি নোটিস জারি করেছে। তবে এই নোটিস ‘ভেরিফায়েড ইউজার’ ছাড়া রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশেও প্রযোজ্য বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এই প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিতর্কিত টুইটের কথাও উঠেছে।

টুইটার-এর নিয়মাবলীতে প্রথমেই বলা রয়েছে তাদের উদ্দেশ্যের কথা। সর্বসাধারণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোই এই সোশ্যাল মিডিয়ার লক্ষ্য। সংস্থাটি নিরাপত্তার জন্য বিশেষ নীতি প্রণয়ন করেছে। সংস্থার পক্ষে একটি ব্লগ পোস্টে বলে হয়েছে, এতদিন পর্যন্ত নিরাপত্তার নিয়ম নীতি লঙ্ঘন করে এমন টুইটকেও তারা অনুমোদন দিয়েছিল। অসংখ্য মানুষ ফলো করেন এমন গ্রাহকের সঙ্গে জনস্বার্থ জড়িত। সেই কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমরা। কিন্তু সোশ্যাল সাইটে কোনও সরকারি দফতর কিংবা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মন্তব্য জনমানসে বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সেই টুইট বিবেচনা করার প্রয়োজন রয়েছে।
এই নতুন নিয়ম চালু হওয়ার ফলে রাজনীতিবিদ, ‘ভেরিফায়েড ইউজার’ এবং এক লক্ষ ফলোয়ার রয়েছে এমন অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে নজরদারি চালাবে টুইটার। নিয়ম লঙ্ঘনকারী কোনও টুইট করলেই হালকা ধূসর রঙের একটি বক্সে লেখা থাকবে নিয়মভঙ্গের কথা। যাতে গ্রাহক এই বিষয়ে সচেতন হতে পারেন।
রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণের জন্য সোশ্যাল মিডিয়াকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে দলগুলি। ফলে লোকসভা নির্বাচনের আগেও সংস্থাগুলি গ্রাহক নিরাপত্তার কথা ভেবে বিভিন্ন নিয়ম চালু করেছিল। ২০১৭ সালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধেও টুইটারের নিয়মভঙ্গের অভিযোগ উঠেছিল। সিএনএন লোগো দেওয়া একটি ছবিতে নিজেকে কুস্তিগীর হিসেবে দেখানোয় তাঁকে কটাক্ষ করেছিলেন অনেকেই। ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে তাঁকে ব্লক করেছিল টুইটার।