নিউজপোল ডেস্ক: জাপানের শিনতো ধর্মে হরিণকে ঈশ্বরের বার্তাবাহক হিসেবে মনে করা হয়। নারা প্রদেশে তারা ইচ্ছেমতো ঘুরে বেড়ায়। এতটা কদর করা হয় যে প্রাণীকে তারাই কি না মানুষের অত্যাচারে মারা পড়ল! হ্যাঁ, জাপানের নারা প্রদেশেই প্লাস্টিক খেয়ে মৃত্যু হয়েছে ন’টি হরিণের।

খুবই বিখ্যাত এই ডিয়ার পার্কে হাজারের বেশি হরিণ আছে। ভ্রমণকারীরা তাদের সুগার-ফ্রি বিস্কুট খাওয়াতে পছন্দ করেন। পাশেরই এক দোকানগুলি থেকে বিক্রি হওয়া এই বিস্কুটের প্যাকেট প্লাস্টিকের নয়। তা সত্ত্বেও নানা কারণে প্লাস্টিক বহন করায় ভয়ঙ্কর সমস্যায় পড়েছে হরিণের পাল। প্লাস্টিক পেটে চলে যাওয়ায় ইতিমধ্যেই অসুস্থ ১৪টি হরিণ যার মধ্যে মারা পড়েছে ন’টি। তাদের পাকস্থলী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে প্লাস্টিক। একটি হরিণের পেট থেকে বেরিয়েছে সাড়ে চার কেজি প্লাস্টিক। প্রাণী সংরক্ষণ সংস্থার সদস্য, পশু চিকিৎসক রি মারুকো ঞ্জানিয়েছেন, মৃত হরিণগুলি এত রোগা হয়ে গেছিল যে তাদের হাড়গুলি গোনা যাচ্ছিল।

হরিণের পাকস্থলীতে চারটি প্রকোষ্ঠ থাকে। হজম করা যায় না এমন কোনও বস্তু তাদের পেটে চলে গেলে পুষ্টির সমস্যায় ভোগে তারা। ডিয়ার পার্কে এ সমস্ত বিষয়ে সাবধান করে দেওয়া হলেও সাধারণ মানুষের মূর্খামির জন্য প্রাণ দিতে হল ঈশ্বরের বার্তাবাহকদের। উদ্যানটি পরিষ্কারে নেমেছেন স্বেচ্ছাসেবকরা।