নিউজপোল ডেস্ক: ‘দিল চাহতা হ্যায়’ বা ‘থ্রি ইডিয়টস’ দেখেছেন তো? দুটি ছবিতেই তিন বন্ধুর অসাধারণ ‘ব্রোম্যান্স’ দেখানো হয়েছে। ‘ব্রোম্যান্স’ এই শব্দটা এখন খুব কানে আসছে। ব্রাদারের সংক্ষেপ ব্রো এবং রোম্যান্স-এর মিশেলে তৈরি হয়েছে এই শব্দ। ছেলেদের মধ্যে বন্ধুত্বের, ভালবাসার সম্পর্কই হল ব্রোম্যান্স। ভাববেন না কিন্তু সমকামের কথা বলা হচ্ছে। এই সম্পর্কে যৌনতা বা শারীরিক আকর্ষণের কোনও জায়গা নেই। নিছক বন্ধুত্বই হল এই রসায়নের ইউএসপি। সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে রোম্যান্সকে হারিয়ে দিচ্ছে ব্রোম্যান্স। অর্থাৎ প্রেমিকার সঙ্গে ভালবাসার সম্পর্কের থেকেও ছেলেরা বন্ধুত্বকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এমনকী এর ফলে প্রেমের সম্পর্কে ভাঙন ধরার সংখ্যাও কম নয়।

কলেজে দ্বিতীয় বর্ষে পাঠরত ৩০জন ‘ককেশিয়ান’ যুবককে নিয়ে একটি সমীক্ষা করা হয়েছিল। ককেশিয়ান মানে শ্বেতাঙ্গ এবং যাঁদের পূর্বপুরুষ ইউরোপ মহাদেশের। এরা প্রত্যেকেই কোনও কোনও সময় প্রেমের সম্পর্কে আবদ্ধ ছিল। দেখা গেছে এদের সবার একজন হলেও অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছেলে বন্ধু আছে। নিজেদের মধ্যে খুনসুটি করেছে, এমনটাও জানিয়েছে তারা। ছাত্ররা জানিয়েছে, প্রেমিকাদের থেকে ছেলে বন্ধুরা অনেক খোলা মনে মেশে। প্রেমিকার মতো নিরন্তর বিচার করে না। যেমন এক ছাত্র জানিয়েছে, সে টেলর সুইফ্‌ট এবং বেয়ন্সের গান ভালবাসে একথা নির্দ্বিধায় জানিয়েছে তার বন্ধুকে। কিন্তু প্রেমিকা কী ভাববে তা চিন্তা করে বলতে সাহস পায়নি। মোদ্দা কথা হল, ছেলেরা এখন প্রেম করার থেকে বন্ধুত্ব নিয়ে বেশি স্বচ্ছন্দ।