নিউজপোল ডেস্ক: ইন্টারনেটের দৌলতে মানুষের মধ্যে যোগাযোগ হয়েছে অনেক সহজ। সকাল, সন্ধে নিয়ম করে ইনবক্সে শুভেচ্ছাবার্তা। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে মহিলা কর্মীকে এই ধরনের বার্তা পাঠানোও একপ্রকার হয়রানি, জানিয়েছেন পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ ও আইনজ্ঞ কাশমালা তারিক।
মঙ্গলবার রাওয়ালপিন্ডিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কাশমালা কার্যক্ষেত্রে মহিলাদের হয়রানির প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন। চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির এই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘হয়রানি কেবল যৌনতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং নানারকম হয়রানির শিকার হন নারীরা।’ এই প্রসঙ্গেই শুভেচ্ছাবার্তার কথা বলেছেন তিনি। সকাল হলেই ‘গুড মর্নিং’ বার্তা পাঠানো কিংবা নিয়মিত শুভেচ্ছাবার্তা পাঠানো আসলে হয়রানিরই নামান্তর। কাশমালা বলেন, ‘এমনকী, যদি কেউ বারবার চা খাওয়ার অনুরোধও করেন, সেটাও একপ্রকার হয়রানি।’ তাই এই বিষয়গুলিকে সহজভাবে দেখার কোনও অর্থ হয় না। বরং সংশ্লিষ্ট দফতরে অভিযোগ দায়ের করা উচিত।
ফেডারাল ওম্বাডপার্সন ফর প্রোটেকশন এগেইনস্ট হ্যারাসমেন্ট (এফওএসপিএএইচ)-এর মুখপাত্র কাশমালা জানিয়েছেন, তাঁদের এই প্রতিষ্ঠান কেবল মহিলাদের জন্যই নয়, পুরুষদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। যদি কোনও পুরুষ হয়রানির শিকার হন, তিনিও জানাতে পারেন এফওএসপিএএইচ-কে। নারী বা পুরুষের ভেদাভেদ নয়, বরং ভারসাম্য বজায় থাকা জরুরি বলে মনে করেন কাশমালা। তিনি বলেন, ‘নারীকে বদলাতে গেলে পুরুষকেও বদলাতে হবে।’
সুরক্ষার বিষয়ে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে হয়রানি রোধ করার জন্য দফতর থাকা উচিত বলে জানিয়েছেন কাশমালা। এমনকী, কর্মক্ষেত্রে সিসিটিভি থাকাও বাঞ্ছনীয়। তবেই সুরক্ষিত থাকবেন নারী ও পুরুষ উভয়েই।