নিউজপোল ডেস্ক: ব্লু হোয়েলের কথা মনে আছে নিশ্চয়ই। সে ছিল এক মারণ-অ্যাপ। অসংখ্য অপ্রাপ্তবয়স্ক তরুণ-তরুণীর মৃত্যু হয়েছিল নীল তিমির ফাঁদে পড়ে। কিন্তু ইনস্টাগ্রাম তো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, তার জন্য মৃত্যু বা আত্মহত্যা হওয়ার কথা নয়। তাও হল, যদিও তাঁর জন্য প্রত্যক্ষভাবে ইনস্টাগ্রামকে দায়ী করা চলে না। মালয়েশিয়ার এক টিনেজার তরুণী ইনস্টাগ্রামে একটি ‘পোল’ তৈরি করেছিলেন। পোলের অর্থ দুটি বিকল্প দিয়ে ভোটাভুটি করার ব্যবস্থা। ওই তরুণী ‘ডি’ অথবা ‘এল’ দিয়ে পোল করেছিলেন। ডি-এর অর্থ ডাই বা মরে যাওয়া এবং এল বলতে লিভ বা বেঁচে থাকা। ইনস্টাগ্রামে তাঁর অনুগামীদের মধ্যে ৬৯ শতাংশ মৃত্যুতে সায় দিয়েছিলেন, বাকিরা বিপরীত দিকে। পোলিং-এর এই ফলাফল দেখে বহুতল থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন ওই তরুণী।

স্থানীয় পুলিশ এই ঘটনাকে ‘আকস্মিক মৃত্যুর’ তকমা দিয়েছে। আইনজীবী রামকরপাল সিং চান ওই ষোড়শীর সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ভাল করে খতিয়ে দেখা হোক। পরবর্তী কালে এরকম দুর্ঘটনা যাতে আর না ঘটে সে ব্যাপারে প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। মালয়েশিয়ার যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী সইদ সাদিক বলেছেন, ‘এটা একটা জাতীয় ইস্যু, অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে এর পর্যালোচনা হোক।’ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে ইনস্টাগ্রামের মুখপাত্র চিং ই ওয়ং বলেছেন, ‘আমাদের চিনাত এবং প্রার্থনা ওই তরুণীর পরিবারের সঙ্গেই আছে। ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীরা যাতে নিরাপদ বোধ করেন সেটা দেখাও আমাদের কর্তব্য।’