নিউজপোল ডেস্ক: নাম ডেবিট-ক্রেডিট। তবে কোনও নতুন আর্থিক প্রকল্প নয়। ডেবিট এবং ক্রেডিট আদতে দুই মার্জার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো রাজ্যের একটি যানবাহন সংস্থার অর্থ এবং তথ্যপ্রযুক্তি দফতর কর্মচারীদের মন ভাল রাখতে বহাল করেছে এই দুই মার্জার ভাই–বোনকে।

সংস্থার অফিসই ডেবিট-ক্রেডিটের বাড়ি। সন্ধেবেলা তারা একা থাকলেও, সপ্তাহান্তে তাদের ছেড়ে থাকতে পারেন না অফিসের কর্মীরা। তাদের দেখভাল করতে এবং আদর করতে ঠিকই এসে যান কেউ না কেউ। বাক্স নিয়ে এদের খেলা করার একটি ভিডিও সংস্থার এক কর্মচারী প্রথম প্রকাশ করেন ‘রেডিট’ নামক সোশ্যাল সাইটে। তারপর থেকেই চূড়ান্ত জনপ্রিয় ডেবিট-ক্রেডিট। বর্তমানে তাদের নিজস্ব ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের ফলোয়ার সংখ্যা ২৬.২ হাজার।

কর্মক্ষেত্রে পোষ্যদের রাখা বা নিয়ে আসার প্রবণতা তৈরি হয়েছে গত কয়েক বছর ধরে। বিহেভিওরাল সাইকোলজিস্ট লটে স্পিজকরম্যানের কথায়, এই অভ্যাস কর্মচারীদের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। পোষ্যরা নিজে থেকে এসে সকলের সঙ্গে যোগাযোগ করে, খেলে। তাতে মানসিক চাপ হ্রাস পায় এবং কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় বলে জানিয়েছেন এই মনোবিদ। পোষ্যরা কাজের জায়গায় এসে বেশি টানাটানি করলে, সম্ভবত কাজের ফাঁকে একটু ছুটি নেওয়ার সময় হয়েছে বলে বোঝা যায়।


তবে কর্মচারীদের কারও বিড়ালের থেকে অ্যালার্জির হলে কী হবে? ওই সংস্থার এক কর্মচারী জানালেন, তাঁদের মধ্যে ছ’জনের এই অ্যালার্জি রয়েছে। তাঁদের মধ্যে পাঁচ জন ভিন্ন অফিসে বসেন এবং একজন সেটিকে খুব একটা ভ্রূক্ষেপ করেন না।