পেগাসাস ইস্যু নিয়ে বাদল অধিবেশনে সরব হয়েছে বিরোধীরা। আর এই বিষয়ে কথা বলতে নারাজ কেন্দ্রীয় সরকার।

তাই বারংবার মুলতুবি রাখতে হচ্ছে বাদল অধিবেশন। অচল সংসদের কারণে জনগণের করের টাকাই নষ্ট হচ্ছে।

এবার এই বিষয়টিকে সামনে রেখেই বিরোধীদের বিরুদ্ধে প্রচার শুরু করল কেন্দ্রীয় সরকার। জাতীয় সংবাদমাধ্যমের কাছে এমনটাই দাবী করা হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, “এতদিনে মাত্র ১৮ ঘণ্টা সংসদ চলেছে, যা ১০৭ ঘণ্টা চলতে পারত। অর্থাৎ ৮৯ ঘণ্টা পুরোপুরি ব্যর্থ।

যার ফলে জনসাধারণের করে ১৩৩ কোটি টাকা নষ্ট হয়েছে।” যদিও সরকারের এই বিবৃতিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ বিরোধী দলগুলি।

এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র তথা সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়।

তিনি বলেছেন,  “২০১০ সালে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন একদিনও চলতে দেয়নি তৎকালীন বিরোধী দল বিজেপি। সেই সময় কত টাকা নষ্ট হয়েছিল সেই হিসাব কি জানা আছে বিজেপির?

তখন বিজেপির হট্টগোলের জেরে একদিনও সংসদ না চলায় মোট কত কোটি নষ্ট হয়েছে সেটার হিসাব তাহলে আগে প্রকাশ করা হোক।”

পেগাসাস ইস্যু নিয়ে কেটে গেছে সংসদের দুই সপ্তাহ। নিজেদের দাবীতে অনড় বিরোধীরা। অপরদিকে, পেগাসাস কোনও ইস্যুই নয়, তাই আলোচনার কোনো প্রয়োজন নেই এই যুক্তিতে বদ্ধপরিকর কেন্দ্রীয় সরকার।

এই টানাপোড়নে কার্যত অচলই সংসদের বাদল অধিবেশন। তবে বিরোধীরা তাদের বিরোধিতা চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতারা।

আরও পড়ুন : মন্ত্রীত্ব হারানোর সাথে রাজনীতি ছাড়ার কি কোনো যোগাযোগ আছে? কী বললেন বাবুল সুপ্রিয়