অলিম্পিক
অলিম্পিক

অলিম্পিক হচ্ছেই।

সাফ জানিয়ে দিলেন, আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জন কোটস। টোকিও অলিম্পিক শুরু হতে আর কয়েকদিন বাকি। করোনার বাড়বাড়ন্তেও অলিম্পিক আয়োজনের লক্ষ্য সচেষ্ট আইওসি। তাই কোনও ‘যদি’, ‘কিন্তু’র প্রশ্নে যেতে নারাজ আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি।

করোনার জন্য গতবছর অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে এ বছর করা হয়। তবে এ বার পিছনোর কোনও সম্ভাবনা নেই। স্পষ্ট জানাচ্ছেন আইওসি ভাইস প্রেসিডেন্ট জন কোটস। তিনি বলেন, ‘না, অলিম্পিক পিছনোর কোনও সম্ভাবনাই নেই। নির্ধারিত সূচি মেনেই হবে অলিম্পিক। সমস্ত সুরক্ষা বিধি মেনেই এ বারের অলিম্পিক হবে। জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ ব্যাপারে নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। স্বাস্থ্য সচেতনতা রেখেই অলিম্পিক আয়োজিত হবে।’

গত বছর অলিম্পিক থেকে আগেই নাম তুলে নিয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, উত্তর কোরিয়া। এ বার অলিম্পিক শুরুর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নয়া প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে কথা বলেছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা। খেলোয়াড়দের সুরক্ষা দেওয়ার ব্যাপারে পূর্ণ আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

কোভিডের কারণে গত বছর অলিম্পিক স্থগিত হয়ে গিয়েছিল। এ বছর সুরক্ষা বিধি মেনে কী ভাবে অলিম্পিক আয়োজন করা যায়, গত বছরের শেষ দিক থেকেই তার পরিকল্পনায় নামে জাপান সরকার ও আইওসি। অলিম্পিকে অংশগ্রহণকারী সমস্ত প্রতিযোগী এবং সাপোর্ট স্টাফেদের টিকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে পিফাইজার এবং বায়ো এনটেক।

অ্যাথলিট স্বাস্থ্য সচেতনতার কথা মাথায় রেখে এবং জাপানের মানুষের সুরক্ষার কথা ভেবেই অলিম্পিক আয়োজনে কোনও ত্রুটি রাখতে চায় না সে দেশের সরকার এবং আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি। তাই কোভিড পরিস্থিতি যতই জটিল হোক, টোকিও অলিম্পিক আয়োজনে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত আইওসি।