দিনের শুরুতে যখন টিম ইন্ডিয়ার ‌হাতে ছিল মাত্র আট উইকেট। জয়ের জন্য প্রয়োজন ৩০৯ রান। টেস্টের পঞ্চম দিনে এই রান তোলা ভীষণই কঠিন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। দিনের শুরুতেই ৪ রানে আউট হয়ে যান আজিঙ্ক রাহানে। পূজারা আর ঋষভ পন্থ বড় পার্টনারশীপ করেও প্যাভিলিয়নে ফেরার পর মনে হয়েছিল এই ম্যাচ হয়ত বাঁচাতে পারবে না ইন্ডিয়া। এরপর দাঁতে দাঁত চেপে তিন ঘন্টার বেশি সময় ক্রিজে পড়ে থেকে ম্যাচ বাঁচালেন হনুমা বিহারী ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন।

চতুর্থ ইনিংসে জয়ের জন্য ৪১০ রানের টার্গেট দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া৷ রাহানে দিনের শুরুতে আউট হওয়ার পর চেতেশ্বর পূজারা একদিকে উইকেট আগলে ছিলেন আর অন্যদিকে ঋষভ পন্থ কিছুটা আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে ব্যাট করছিলেন৷ তিনি ১১৮ বলে ৯৭ রান করেন৷ ঋষভের এদিনের ইনিংস সাজানো ১২ টি চার ও ৩ টি ছয় দিয়ে৷ পূজারা ২০৫ বল খেলে ৭৭ রান করে আউট হয়ে যান৷ তাঁর ইনিংস সাজানো ছিল ১২ টি চার দিয়ে৷ ঋষভ পন্থ ও পূজারা আউট হতেই ম্যাচ অজিদের পকেটে চলে যেতে বসেছিল। সেই অবস্থা থেকে ম্যাচ জেতার কোনো চেষ্টা না করে মাটি কামড়ে ক্রিজে পড়ে রইলেন হনুমা বিহারী এবং রবিচন্দ্র অশ্বিন৷

ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের আউট করার জন্য অস্ট্রেলিয়া সবরকমের বোলিং অপশন ট্রাই করেও সিমেন্টের মতো আটকে যাওয়া ভারতীয় ক্রিকেটারদের আউট করা গেল না, সারাদিনে পড়ল মাত্র তিন উইকেট। ম্যাচ ড্র হলেও হাসি ফুটল টিম ইন্ডিয়ার মুখে। অজি আগ্রাসন প্রতি মুহূর্তে টিম ইন্ডিয়াকে দমিয়ে দেওয়ার মানসিকতা নিয়ে লড়াই করছিল ঠিক তেমনি দাঁতে দাঁত চেপে বুক চিতিয়ে লড়াই পূজারা, অশ্বিন, হনুমা, পন্থরা। তৃতীয় টেস্টের শেষে সিরিজ রইল ১-১৷