উত্তরপ্রদেশ তথা যোগীরাজ্য, সম্পূর্ণ বিজেপি শাসিত একটি রাজ্য। বিজেপিদের রীতিনীতি অনুযায়ী সেখানে প্রাধান্য পায় হিন্দু ধর্ম।

এবার সেই ছবি ফুটে উঠল আরও একবার। এবার সেই ছবিই যেন পরোক্ষভাবে ফের একবার ভেসে উঠল সকলের সামনে।

মহরম নিয়ে নতুন গাইডলাইন জারি করল যোগী আদিত্যনাথের সরকার।

এই নতুন গাইডলাইন অনুযায়ী, আগামী ১৯ আগস্ট থেকে প্রশাসন সবরকম জুলুস  বের করায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

করোনার কারণে উত্তরপ্রদেশে মহরমের জুলুস বের করায় সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করল যোগী সরকার।

ডিজিপি মুকুল গোয়েল সমস্ত পুলিশ সুপারদের মৌলানাদের সঙ্গে বৈঠক করা,

সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সন্দেহজনক এলাকায় নাকা চেকিং করা আর পরিস্থিতি নিয়ে সমীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন।

যোগী সরকারের গাইডলাইন অনুযায়ী, উত্তর প্রদেশে এবার মহরমে কোনও তাজিয়া বের যাবে না, না কোন জুলুস বা মেলা হবে।

দুই থেকে তিনজনের বেশী একসঙ্গে এক জায়গায় জমায়েত করা যাবে না।

সর্বোচ্চ দুই থেকে তিনজন একসাথে বেরিয়ে তাঁদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন। যোগী সরকারের হঠাৎ জারি করা এহেন বিধিনিষেধ বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।

শিয়া মৌলানা কালবে সিবতেন নূরী এই বিধিনিষেধ বদলানোর জন্য দাবি জানিয়েছেন।

নূরী বলেছেন, মহরম নিয়ে পুলিশ প্রশাসন দ্বারা করা এই জারি বিধিনিষেধে শিয়া সম্প্রদায়ের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে বকরি ঈদেও উত্তর প্রদেশে কড়া বিধি নিষেধ জারি ছিল। কিন্তু কুম্ভমেলা নিয়ে কোনো বিধিনিষেধ জারি ছিল না।

সার্বজনীন ভাবে কুরবানি দেওয়া নিষিদ্ধ থেকে শুরু করে গরু, উট কুরবানি দেওয়াতেও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল রাজ্যে। পাশাপাশি করোনা পরিস্থিতির দিকে নজর দিলে, এই সময় উত্তর প্রদেশে এমনকি দেশেও দৈনিক আক্রান্তের গ্রাফ নিম্নমুখী।

এই রাজ্যের ৭৫টি জেলা সম্পূর্ণ ভাবে করোনা মুক্ত হয়েছে। দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাও ১ হাজারের নীচে নেমে এসেছে এখন।

তবে তৃতীয় ঢেউয়ের কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এমনটাই জানানো হচ্ছে সরকারের তরফ থেকে।

ত্রিপুরায় গণতন্ত্র কোথায়! টুইট অভিষেকের