এসএসসি পরীক্ষায় শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ায় মামলা আদালত অবধি গড়িয়েছিল। সেই মামলার আজ দুপুর দু’টোয় শুনানি ছিল।

অন্যদিকে, আজ সকাল থেকেই বিধাননগরে এসএসসি ভবনের সামনে বিক্ষোভকারীরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছে।

বেলা গড়ানোর সাথে সাথে পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে উঠলে সেখানে পুলিশ পৌঁছায়।

তারপর পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেওয়া সম্ভব হয়। উচ্চ প্রাথমিক ক্ষেত্রে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার উপরে যে স্থগিতাদেশ জারি করা হয়েছিল, তা আজ প্রত্যাহার করল কলকাতা হাইকোর্ট৷

এর ফলে উচ্চ প্রাথমিক বিভাগে নিয়োগ সংক্রান্ত জট কিছুটা কাটল বলে মনে করছে সরকারি আধিকারিকরা৷ তবে নিয়োগের তালিকায় অস্বচ্ছতা বা অনিয়মের অভিযোগ করেছেন যাঁরা,

তাঁদের অভিযোগও স্কুল সার্ভিস কমিশনকে শুনতে হবে, এমনটাই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়৷

২০১৯ সালে ইন্টারভিউতে নির্বাচিত হওয়ার পরেও তালিকায় নাম নেই,

বারংবার তালিকায় নামের পাশে নথি ইনকমপ্লিট লেখা(যেখানে তাঁর নথি সম্পূর্ণ রয়েছে প্রমাণসহ); এমন বিভিন্ন অভিযোগ আজ উঠে আসছে সকাল থেকেই।

আজ স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নিয়ে বিচারপতি নির্দেশ দেন, আপাতত ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে৷

তবে ইন্টারভিউতে ডাক না পেয়ে যাঁরা তালিকায় গরমিলের অভিযোগ করেছেন, তাঁদের সকলের অভিযোগ শুনতে হবে কমিশনকে৷

বিচারপতি নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে অনলাইন এবং অফলাইনে নিজেদের অভিযোগ জানাতে পারবেন SSC চাকরিপ্রার্থীরা৷

স্কুল সার্ভিস কমিশনের সচিব পর্যায়ের আধিকারিকদের সরাসরি অভিযোগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷

আগামী ১২ সপ্তাহের মধ্যে এই সমস্ত অভিযোগের নিষ্পত্তি করতে হবে বলে, কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত৷

প্রায় পাঁচ বছর ধরে বিভিন্ন আইনি জটিলতার কারণে এই শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে রয়েছে।

তাই ২০১৬ সাল এবং তার পর থেকে যারা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছিলেন তারা আবারও সুযোগ পাবেন, এমনটাই জানাচ্ছে আদালত।

আদালতের সকল নির্দেশ স্কুল সার্ভিস কমিশন কতটা মেনে চলে এখন সেটাই দেখার বিষয়।