লাখ টাকার দুর্গা পাওয়া যাবে ১০১ টাকায় লটারির মাধ্যমে! ঘোষণা করেছিল কলকাতার বিখ্যাত বারোয়ারি চোরবাগান সার্বজনীন।

দশটি পুজোর ভাগ্যের শিকে ছিঁড়ল আজ।

করোনার প্রভাব গত বছরের পুজো আয়োজনেও পড়েছিল। চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির উদ্যোক্তারা নানা সমাজসেবামূলক কাজেও এগিয়ে এসেছেন।

আর্থিক অনটনে ভুগতে থাকা ১০টি ক্লাবের প্রতিমা তৈরির দায়িত্ব নিয়েছে চোরবাগান।

বলা হয়েছিল, বায়না ও প্রতিমা গড়ার জন্য নামমাত্র ১০১ টাকা করে নেওয়া হবে সেই ক্লাবগুলির থেকে।

কোন ক্লাব প্রতিমা পাবে, তা লটারির মাধ্যমে বেছে নেওয়া হয়। লটারিতে তোলা হয় ১৩ টি পুজোকে। তার মধ্যে ভাগ্যবান দশটি ক্লাব হল – ফ্রেন্ডস অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েশন, সারথী, বেলেঘাটা নবালয় সংঘ ক্লাব,

আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র ক্লাব, মধ্য কলকাতা বিশ্বকল্যাণ সর্বজনীন, মা আগমনি সংঘ, আদি কাম্বুলিটোলা ও শ্যামবাজার স্ট্রিট

সর্বজনীন দুর্গৎসব, ভবানীপুর কিশোর সংঘ, দুর্গাপুজা বিএল ব্লক কমিটি, বেলেঘাটা সরকার বাজার বিবেকানন্দ সংঘ।

চোরবাগান পুজো প্রাঙ্গনেই তৈরি হবে ১০টি প্রতিমা। যার তত্ত্বাবধানে খোদ এবারের চোরবাগানের থিমশিল্পী বিমল সামন্ত।

এছাড়াও, কলকাতার যৌনপল্লি এলাকার দুর্বারের পুজো আয়োজনের দায়িত্বও নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়েছে চোরবাগান। এছাড়াও মেদিনীপুরের ক্লাব ভীমেশ্বরী যুব ছাত্র সংঘ, ২৮ নং পল্লি মহিলাবৃন্দকে প্রতিমা তৈরি করে দিচ্ছে তারা।

লটারিতে অংশ নেওয়া বাকি তিন ক্লাব, পানশিলা সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি, তালবাগান আদিবাসীবৃন্দ, ২১ নং কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ১০ হাজার ১ টাকার চেক।