নতুন বছরের শুরুটা ভালো খবর দিয়েই শুরু হল। দেশবাসীর জন্য স্বস্তির খবর দিল DCGI। কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিন-কে সরকারিভাবে অনুমোদন দিল ড্রাগ কন্ট্রোলার-জেনারেল অব ইন্ডিয়া(DCGI)। তবে আপাতত শর্তসাপেক্ষে এবং জরুরি ভিত্তিতে এই ভ্যাকসিন সারা দেশে দেওয়া হবে। আজ সাংবাদিক সম্মেলেনর মাধ্যমে এই কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিন-এই দুটি ভ্যাকসিনকে জরুরিভিত্তিতে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হল।

সম্পূর্ণরূপে দেশে তৈরি এই দুই ভ্যাকসিন কোভিশিল্ড ও কোভ্যাকসিন খুব শীঘ্রই বাজারে আসছে। বাজারে আসলেও এখনই প্রত্যেক দেশবাসীর টিকাকরণ হবে না। টিকাকরণ হবে জরুরি ভিত্তিতে। রবিবার সকালে ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়া ভি জি সোমানি সাংবাদিক বৈঠকে জানান, সিরাম ইন্সটিউটের কোভিশিল্ড এবং ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাকসিনের ট্রায়াল চালান হয়েছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। সেই ট্রায়াল রিপোর্ট পেশ করে করোনাভাইরাস সাবজেক্ট কমিটি এবং সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন। সেই রিপোর্ট ১০০ শতাংশ সন্তোষজনক হওয়ায়, সরকারি ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এদিন ভ্যাকসিন দুটিকে অনুমোদন দেওয়ার পরই ট্যুইট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। লেখেন, “অভিনন্দর ভারত”।

কোভিশিল্ড তৈরি করেছে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা। পুণের সিরাম ইন্সটিটিউটে উৎপাদন হচ্ছে। অন্যদিকে, ভারত বায়োটেক তৈরি করেছে কোভ্যাকসিন। বৈঠকে কন্ট্রোলার জেনারেল বলেন, “সিরামের কোভিশিল্ড দেশের ২৩,৭৪৫ জন স্বেচ্ছাসেবকের শরীরে প্রয়োগ করা হয়েছিল। কোভিশিল্ডের সুরক্ষা-নিশ্চয়তা ৭০ শতাংশের বেশি। ফলে, তা যথেষ্ট গ্রহণযোগ্য।’