করোনা পরিস্থিতির প্রথম থেকেই বন্ধ স্কুল সহ অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি। এই পরিস্থিতিতে সুন্দরবনের পিছিয়ে পড়া আদিবাসী সম্প্রদায়ের কচিকাঁচাদের মধ্যে শিক্ষার আলো দেখাতে এগিয়ে এল দুটি সংস্থা। বাসন্তীর ঝরখলি এলাকার তিন নম্বর গরানবোস ইফরানখালি গ্রামে একটি পাঠশালা গড়ে তুলেছেন বজবজের ‘প্রত্যাশা’ ও ঝড়খালি সবুজ বাহিনীর সদস্যরা। মূলত বেশ কিছু শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের যৌথ প্রয়াস এটি। পাঠশালায় নিত্যদিন শিশুদের পড়াশোনার পাশাপাশি ছবি আঁকা এবং গল্পের ছলে সুন্দরবনের কৃষ্টি ও সংস্কৃতির কথা জানানো হচ্ছে। এই এলাকায় আদিবাসী সম্প্রদায় মানুষ গুলি কেউ ইট ভাটায় কাজ করে।আবার কেউ বা দিনমজুরি কাজ করে।সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরায়।কোনমতে চলে সংসার।ফলে একবিংশ শতাব্দীতে আজ শিক্ষার আলো তেমন ভাবে ছড়িয়ে পড়েনি।আর এই আদিবাসী সম্প্রদায়ের শিশুদের শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে এগিয়ে এলো ঝড়খালি সবুজ বাহিনী এক যুবক । বর্তমানে পাঠশালায় ২৮ থেকে ৩০ টি আদিবাসী সম্প্রদায়ের শিশুরা পড়াশুনা করছে।আর এই পাঠশালার শিক্ষিকা সুপ্রিয়া দাস জানান এই সমস্ত আদিবাসী সম্প্রদায়ের পিছিয়ে পড়া শিশুদের শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে এগিয়ে এসেছে বজবজের প্রত্যাশা এবং ঝড়খালি সবুজ বাহিনী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।বর্তমানে ৩০ টি শিশু এখানে পঠন পাঠন করছে। এরা যাতে শিক্ষার আলো পায় সেটাই দেখার ঝরখালির প্রত্যন্ত গ্রামের বাসিন্দাদের।