ত্রিপুরায় নির্বাচনী প্রচারের আজ সেখানে পৌঁছান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ত্রিপুরায় গণতন্ত্র বলে কিছু বেঁচে নেই এমন অভিযোগ তোলেন তিনি।

 

 

সমস্ত বিরোধী দলকে একত্রিত হয়ে কাজ করার কথা বলেন। ত্রিপুরার গণতন্ত্র ফেরানোর কাজকে ‘পাখির চোখ’-এর মত টার্গেট রেখে নিজেদের কাজ করতে চায় তৃণমূল, এমনটাই বলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

 

ত্রিপুরায় পৌঁছানোর পর তাঁর গাড়ির ওপর হামলা চললেও অনেকের কাছ থেকেই আশীর্বাদ পেয়েছেন তিনি। বিজেপি চরম হতাশায় ভুগছে এমন কটাক্ষ করে তিনি বলেন বাঁশ, লাঠি জোগাড় করে রাখুন।

 

আগামী ১৫ দিন পর আবার ত্রিপুরা আসব। ক্ষমতা থাকলে আটকে দেখান আমাদের।

 

বাংলা মডেলকে সামনে রেখে তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘বিজেপিকে কেউ যদি ল্যাজেগোবরে করে হারাতে পারে সেই দলের নাম তৃণমূল কংগ্রেস আর নেত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

 

বিজেপি নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে গেলাম, পারলে পায়ের তলার ভূমি বাঁচিয়ে নিন। ত্রিপুরার নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছি আমরা।’

 

 

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আজ তাঁর বক্তৃতায় ত্রিপুরায় বিরোধীদের উপর করা অত্যাচারের কথাও উঠে আসে।বিজেপি সংস্কৃতি নষ্ট করছে, লেনিন থেকে কার্ল মার্ক্স সকলের মূর্তি নষ্ট করেছে এই কথা তুলে ধরেন তিনি।

 

এরপর তিনি সিপিএমকে সরাসরি হাত মেলানোর জন্য আহ্বান জানান। অভিষেকের কথায়,
‘সিপিএমের নেতা, কর্মীরা আমাদের সঙ্গে লড়াই করতে চাইলে স্বাগত।

 

তাদের অনেক সদস্যই আগ্রহ দেখিয়েছেন। কলকাতায় বৈঠক করে এসেছেন।’

তাঁর এই আহ্বানের কোনো প্রতিক্রিয়া আপাতত কিছু পাওয়া যায়নি কোনো সিপিএম-এর পক্ষ থেকে।

পাশাপাশি ত্রিপুরার নারী সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

উত্তরপ্রদেশে জারি হওয়া নতুন গাইডলাইনে চোখে পড়ল সাম্প্রতিক ভেদাভেদ