বকখালি: অবশেষে উদ্ধার হলো হৈমবতী ট্রলারে নিখোঁজ মৎস্যজীবীর মৃতদেহ। মৃত মৎস্যজীবীর নাম অনাদি শাসমল বয়স আনুমানিক ৫৩ বছর। গভীর সমুদ্রে ইলিশ ধরে বন্দরে ফেরার সময় বুধবার ভোর বেলা বকখালির কিছুটা দূরে রক্তেরশ্বরী চর এর কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে এফবি হৈমবতী। ট্রলারটি উল্টে যাওয়ার পর গভীর সমুদ্রে দুজন মৎস্যজীবীকে সাঁতার কাটতে ওর চিৎকার করতে শুনে অন্যান্য ট্রলারের মৎস্যজীবীরা তড়িঘড়ি সময় নষ্ট না করে গভীর সমুদ্র থেকে উদ্ধার করা হয় ২জন মৎস্যজীবীকে। ২জন মৎসজীবীকে উদ্ধার করে গেলেও বাকি ১০ জন মৎস্যজীবী নিখোঁজ হয়ে যায়। নিখোঁজ মৎস্যজীবীদের খোঁজে সুন্দরবন পুলিশ জেলার পুলিশ ও উপকূল রক্ষী বাহিনীর যৌথ উদ্যোগে তল্লাশি অভিযান চালায়। তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় বৃহস্পতিবার ৯ জন মৎস্যজীবীর মৃতদেহ ও ট্রলার থেকে উদ্ধার করে উপকূল রক্ষী বাহিনী। নিখোঁজ থাকে ওই ট্রলারের মৎস্যজীবী অনাদি শাসমল। আজ বিকেলবেলা বকখালির কালিস্থানের কাছে ১ মৎস্যজীবী মৃতদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয় কয়েকজন মৎস্যজীবীরা। মৃতদেহটি দেখে ফ্রেজারগঞ্জ উপকূল থানায় খবর দেয়া হয়। খবর পেয়ে ফ্রেজারগঞ্জ উপকূল থানা ও উপকূল রক্ষী বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃত মৎস্যজীবীর দেহ উদ্ধার করে। মৃত মৎস্যজীবীর দেহ অনাদি শাসমলের পরিবারের লোকজন শনাক্ত করে। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মৃতদেহ উদ্ধারের পর শোকের ছায়া শাসমল পরিবারে।