এই পৃথিবীর কতো কিছুই না অবাক করে আমাদের। সেই সুপ্রাচীনকাল থেকে মানবজাতিকে অবাক করার প্রবণতা এখনো কিছু কম হয়নি। হ্যাঁ, এই একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে আমাদের বিজ্ঞান পাড়ি দিয়েছে আমাদের গ্রহ ছেড়ে চাঁদ, মঙ্গলে। তবু, কিছু ঘটনা এখনো এমনও থাকে যেগুলোকে জানার পর অবাক হওয়া ছাড়া কোনো উপায় থাকে না।

সুপ্রাচীনকাল থেকে পৃথিবীর বিস্ময়কর স্থানগুলোর কেন্দ্রবিন্দু যদি কোনো জায়গাকে বেছে নিতে বলা হয়, তবে তা নিঃসন্দেহে হবে ইজিপ্ট। পিরামিড থেকে শুরু করে অসাধারণ সব স্থাপত্য, বিজ্ঞান, দর্শন, ভাষা; কোনো ক্ষেত্রেই আমাদের অবাক করতে অসফল হয়নি মিশরীয় সভ্যতা। মমিদের অস্তিত্ব বারবার প্রমাণ করে দিয়েছে প্রাচীন মিশরীয়দের বিজ্ঞানের অগ্রগতি।

কিন্তু মমি যে শুধু মিশরে পাওয়া যায় এমনটা নয়। ইজিপ্ট থেকে প্রায় সাড়ে বারো হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পাপুয়া নিউগিনি। প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত এই দেশেও কিন্তু মমি পাওয়া যায়।
দেশের মধ্যভাগ ও পশ্চিম অংশের পাহাড়ি অঞ্চলে বাস বিভিন্ন উপজাতির। তাদেরই মধ্যে একটি উপজাতি হল ‘দানি’। প্রাচীন প্রথা মেনে আজও তারা তাদের গোত্র প্রধান ও যোদ্ধাদের মৃতদেহ মমি করে সংরক্ষণ করে।

ইজিপ্টের মমির মতো না হলেও, এই মমি তারা তাদের উদ্ভাবিত কৌশলে করে থাকে। এই প্রকার প্রাণীজ তেল ও আগুনের আঁচে অনেকদিন ধরে তৈরি করা হয় এই মমিগুলো।