স্কুল বন্ধ থাকলেও মিড ডে মিল পাচ্ছে সরকারী স্কুলের পড়ুয়ারা। স্কুল চলাকালীন দেওয়া হতো রান্না করা খাবার।

এখন তা কিলো হিসেবে দিয়ে দেওয়া হয়। ২০২০ সাল থেকেই এই নিয়ম চলে আসছে।

এবার মিড ডে মিলের মেনুতে আনা হলো কিছু পরিবর্তন। বরাদ্দ আলুর পরিমাণ বাড়ানো হলো।

আগষ্ট মাস থেকে দু’কেজি করে আলু দেওয়া হবে প্রতি উপভোক্তাকে, এমনটাই জানিয়েছে রাজ্য সরকার। কিন্তু নতুন নির্দেশিকাতে বাদ পড়েছে সোয়াবিন, যা পুরোনো মেনুতে ছিল।

নয়া নির্দেশিকাতে দেখা গিয়েছে,প্রতি উপভোক্তাকে দু’কিলো আলুর সঙ্গে দু’কেজি করে চাল আর সাথে চিনি ও ডাল ২৫০ গ্রাম করে এবং একটি করে সাবান দেওয়া হবে।

করোনার সময় বারবার হাত ধুতে বলা হচ্ছে স্বাস্থ্য দফতর থেকে। তাই গত বছর থেকেই সাবান দেওয়া হচ্ছে ছাত্রছাত্রীদের।

আগস্ট মাসেও পড়ুয়াদের অভিভাবকরা বা পড়ুয়ারা স্কুলে এসে মিড-ডে মিল নিয়ে যাবেন নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, এমনটাই জানিয়েছে রাজ্য সরকার।

যা দেখে সকলের ধারণা স্পষ্ট যে, সামনের মাসও স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তে অটল থাকছে সরকার। সোয়াবিন একটি পুষ্টিকর খাদ্যদ্রব্য।

তাই এটি তালিকা থেকে বাদ পড়ায় আশাহত হয়েছে দরিদ্র পরিবারের ছাত্রছাত্রীরা। যদিও দু’কেজি আলু দেওয়ার ঘোষণা শুনে খুশি হয়েছেন অনেকেই।

অল পোস্ট গ্র‌্যাজুয়েট টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক চন্দন গরাইয়ের বক্তব্য, “সোয়াবিন একটি পুষ্টিকর খাদ্য। এটি বাদ দিয়ে ঠিক করা হয়নি।

দু’কেজি আলু বরাদ্দ হয়েছে তা অবশ্যই ভালো খবর। তবে ৫০০ গ্রাম করে সোয়াবিন ও ১০টি করে ডিম দেওয়ার দাবী জানাচ্ছি।”