এমনিতে গল্প করতে দিব্যি লাগে। কিন্তু বন্ধুর কয়েকটা স্বভাবদোষ একদম মেনে নেওয়া যায় না। যেমন সব বিষয়ে নাক গলানো। রাত জেগে ফোনে কার সঙ্গে কথা বলছেন, উইকএন্ডে কার সঙ্গে ঘুরতে যাচ্ছেন, কার এত হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ আসছে— না চাইতেও যদি সেই বন্ধু বারবার এসব নিয়ে খুঁচিয়ে চলে, তাহলে কিন্তু বিরক্তিকর। পরিস্থিতি সামলাতে হবে আপনাকেই। কীভাবে?‌
❏‌ চুপ থাকুন—
বন্ধু ব্যক্তিগত বা কাজকর্ম নিয়ে প্রশ্ন করলে চুপ থাকুন। বুঝিয়ে দিন আপনি পছন্দ করছেন না।
❏‌ কী চায় বন্ধু—
ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্ন করছে মানেই যে সেই বন্ধু আপনার খারাপ চাইছে, আপনার সমস্যা শুনে মজা পাচ্ছে, এ রকম সব সময় নাও হতে পারে। হয়তো সেই বন্ধু আপনার সমস্যার সমাধান করতে চায়। তবে যদি বোঝেন, আপনার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কেচ্ছা করছে, তাহলে সাবধান!‌
❏‌ পাল্টা মাত দিন—
আপনিও বন্ধুর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্ন করুন। কিছু লুকোতে চাইছে বুঝলে চেপে ধরুন। তাহলে আপনার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও আগ্রহ দেখানো বন্ধ করবে।
❏‌ ‘‌বোরিং’‌ হয়ে যান—
কোনওভাবেই বন্ধুর অতিরিক্ত আগ্রহ এড়াতে না পারলে নিজেকে সাদামাটা বানিয়ে ফেলুন। মানে দেখান, যে আপনার জীবন যাপন নেহাতই ‘‌বোরিং’‌। খবর হওয়ার যোগ্য আপনি নন।
❏‌ সম্পর্কে ইতি টানুন—
ওপরের কোনও উপায়েই বন্ধু পথে না এলে সম্পর্কে ইতি টানুন। তার আগে একবার অবশ্যই সতর্ক করুন। কাজ না হলে এসব বন্ধুর থেকে দূরে থাকাই ভালো।