আব্বাসের সঙ্গে জোটে বড় ‘আত্মত্যাগের’ পথে হাঁটল বামেরা। ১৯৫২ সালের পর প্রথমবার নন্দীগ্রামের আসনে বামেরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে না। জোটের স্বার্থে এই আসন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে আব্বাস সিদ্দিকির আইএসএফ কে। ১৯৫২ থেকে সিপিআই এই আসনটিতে লড়ত।বিধানসভা ভোটে এই আসনেই লড়বেন বলে জানিয়ে রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

জোটের স্বার্থেই এইরকম চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই আসন আইএসএফ-কে ছাড়ার বিষয়ে মধ্যস্থতা করেছে সিপিএম। সংখ্যালঘু ভোট ওই এলাকায় বেশি থাকার কারণে এআইএসএফ-ও বারবার এই আসন দাবি করেছিল।

২০১৬ সালে তৃণমূলের হয়ে এই আসন থেকে জয়লাভ করেছিলেন প্রাক্তন পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তার আগে থেকেই অধিকারীদের গড় ছিল নন্দীগ্রাম। তবে শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই এই আসনকে কেন্দ্র করেই যেন যাবতীয় রাজনৈতিক পারদ চড়েছে দফায় দফায়। তৃণমূল ‘অধিকারী গড়’ নামক এই ইমেজ ভাঙতে বদ্ধ পরিকর।

এই আসন নিয়ে যখন বঙ্গ রাজনীতি সরগরম, তখনই নন্দীগ্রামের আসনে এহেন স্ট্রাটেজি বামেদের। বাম নেতৃত্বের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজনীতি পর্যবেক্ষকদের মত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য চ্যালেঞ্জ এ বার আরও কঠিন হতে চলেছে। কেননা, একাধিক সভায় শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, ‘৩০ শতাংশের’ ভরসায় নন্দীগ্রামে নিজেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছেন মমতা। সেই ভোটে থাবা বসলে কী হবে তা দেখবার অপেক্ষায় রাজনৈতিক মহল।