নিউজপোল ডেস্ক : একদিকে বেলাগাম করোনার গ্রাফ, অন্যদিকে মানুষের অমানবিক মুখ।কখনও মৃতের দেহকে রাস্তায় ফেলে রেখে চলে যাচ্ছে, তো কখনও বাড়ির সামনে বা বাড়ির মধ্যেই দেহ রেখে দিচ্ছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। এমনই এক অমানবিক ছবি আবারও খোদ কলকাতায়। করোনা আক্রান্ত হয়ে বেড না পেয়ে প্রাক্তন রেলকর্মী বাড়িতেই করোনার চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর স্ত্রীও করোনা আক্রান্ত।কিন্তু গত ১৪ ঘন্টা আগে মৃত্যু হলেও দেহ সৎকারের কোনো ব্যবস্থাই এখনও পর্যন্ত হয়নি। ঘটনাটি ঘটেছে খোদ কলকাতায় বাগুইহাটি তে। অন্যদিকে বেলঘরিয়ার ফিডার রোডে আর এক ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ৬ ঘন্টা অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও দেহ এখনও বাড়িতে।
প্রসঙ্গত প্রাক্তন রেলকর্মীর বাড়ি এবং পাড়া ইতিমধ্যেই স্যানিটাইজ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং সেই কাজও ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হল করোনা আক্রান্ত মৃতদেহ এই ভাবে বাড়িতে ফেলে রেখে বাড়ি স্যানিটাইজ করে লাভ কি? মাস্ক কি মুখ, নাক ঢাকার সাথে সাথে আমাদের মানবিক রূপটাকেও ঢাকতে শুরু করেছে? কিন্তু এইভাবে একে অপরের প্রতি অমানবিক হতে হতে করোনার এই দ্বিতীয় ঢেউ এ মানুষের অস্তিত্ব কি সংকটের মুখে?