আজ, মঙ্গলবার, প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে এই বৈঠককে মমতা ‘সৌজন্য সাক্ষাৎ’ বলে আখ্যা দেন; যেহেতু কলাইকুন্ডায় সাক্ষাৎ হয়নি তাই এই সাক্ষাৎ এমনটাই জানান তিনি।

একুশের বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের পর আজই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বৈঠক ছিল। তাই স্বাভাবিকভাবেই তৈরি হয়েছিল জল্পনা।

বৈঠক শেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “বাংলার নাম বদলের বিষয়টি দেখার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি। অনেকদিন ধরে ব্যাপারটা ঝুলে আছে।

উনি বলেছেন যে ব্যাপারটা দেখবেন।” এই বিষয়টি শুনে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য প্রতিক্রিয়া দেন,

“বিজেপি চিরকালই নাম বদলের বিরুদ্ধে। নাম বদল করা হলে ইতিহাসকে ভুলিয়ে দেওয়া হবে।”

আজকের বৈঠকে করোনার ভ্যাকসিন সংক্রান্ত আলোচনাও হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার প্রসঙ্গ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,

“ওনার সঙ্গে দেখা করার জন্য আরটিপিসিআর করা বাধ্যতামূলক। আমার ডবল ডোজ ভ্যাকসিন নেওয়া আছে কিন্তু এখন হঠাৎ করে করোনা পরীক্ষা করাবো কোথায়!

তার চেয়ে বরং উনি সুস্থ থাকুন।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আজকের বৈঠকের সম্ভাব্য যে চারটি আলোচনার বিষয় মনে করা হচ্ছে সেগুলি হলো,

কৃষি আইন প্রত্যাহার, রাজ্যের বরাদ্দ ভ্যাকসিনের পরিমাণ বাড়ানো, ফোনে আড়ি পাতা বিষয়ে তদন্ত এবং রাজ্যের পাওনা বকেয়া টাকা।

সর্বতভাবে জাতীয় স্তরে তৃণমূল সরকারের বিরোধিতা বেশ শক্তভাবেই করছে তা বোঝা যাচ্ছে।

কাল অর্থাৎ বুধবার দুপুর আড়াইটায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি সাংবাদিক বৈঠক করবেন বলে জানা যাচ্ছে।

সম্ভবত আগামী বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি। বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য্য এই প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে বলেছেন,

“মোদী বিরোধী জোট তৈরি করার নামে যে যার মতো করে আলাদাভাবে আন্দোলন করে চলেছে। আগে ওনারা ঠিক করুক যে ওনাদের মুখ কে হবেন।

ভারতের মানুষ জোট সরকার আগেও দেখেছে। আশা করি সাধারণ মানুষ আর এই ভুল করবে না।”

কালকের সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বলেন এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা দেশের আমজনতা।