ইন্টারকোর্সে সমস্যা? যন্ত্রণা?‌ আর তার থেকে অনীহা?‌ কম–বেশি অনেক মহিলাই এর শিকার। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লুব্রিক্যান্ট এই সমস্যার সমাধান করে ফেলতে পারে। কিন্তু ভয়ে বা লজ্জায় বেশিরভাগ মহিলা তা ব্যবহার করেন না। বলা ভালো, দোকান থেকে কিনতেই পারেন না। মনের মধ্যে জমে ওঠে অনেক প্রশ্ন। উত্তরগুলো শুনে নিন—
❏‌ ভুলেও তেল ব্যবহার নয়—
লুব্রিক্যান্ট কিনতে লজ্জা পাচ্ছেন বলে যোনিতে নারকেল বা অন্য কোনও তেল ব্যবহার করবেন না। চিকিৎসকরা বলছেন, লুবস দিয়ে যৌন সংসর্গের পর প্রস্রাব করলে লুব বেরিয়ে যায়। কিন্তু তেলের ক্ষেত্রে তা হয় না। এর থেকে যোনিতে সংক্রমণ হতে পারে। তাছাড়া তেলের সংস্পর্শে এলে কন্ডোমের ল্যাটেক্স নষ্ট হয়ে ছিদ্র হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে আরও বিপদ।
❏‌ স্যালাইভাও ক্ষতিকর—
আপনি হয়তো ওরাল সেক্সে সুখভোগ করছেন, কিন্তু জিভ থেকে নিঃসৃত স্যালাইভায় অনেক জীবাণু থাকতে পারে। তাতে সমস্যা বাড়বে।
❏‌ ফ্লেভারড লুবস নয়—
চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ফ্লেভারড লুবসে এমন কিছু উপকরণ থাকে যা যোনির ক্ষার এবং অম্লের ভারসাম্য নষ্ট করে। তা সত্ত্বেও এ ধরনের লুবস ব্যবহার করলে দেখে নিন, তাতে যেন নোনোক্সিলিন–৯, পেট্রোলিয়াম, প্রোপাইলিন গ্লাইকল না থাকে।
❏‌ শাওয়ার জেল ভয়ঙ্কর হতে পারে—
শাওয়ারে একটু ইয়ে করতে ইচ্ছে করছে‌!‌ তা বলে ভুলেও যেন শাওয়ার জেল ব্যবহার করবেন না। তখনকার মতো কাজ চললেও পরে জ্বালা, চুলকানি হতে বাধ্য।
❏‌ কী ধরনের লুব ব্যবহার করবেন—
ওয়াটার বেসড— সব থেকে সুরক্ষিত। এতে পেট্রোরাসায়নিক, প্যারাবেন, গ্লিসারিন থাকে না। তবে বারবার লাগাতে হয়। জলে সহজেই ধুয়ে যায়।
সিলিকন–বেসড— অনেকক্ষণ স্থায়ী হয়। জলেও ব্যবহার করা যায়। সাবান ছাড়া ধোওয়া যায় না।
কুলিং–ওয়ার্মিং— হঠাৎ ঠান্ডা লাগে। হঠাৎ গরম। ব্যবহারে মজা রয়েছে। তবে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে।