avimot
  • আমাদের মনে হয় তৃণমূল সমর্থক, নেতা, কর্মীদের কাছে একটা ভুল বার্তা পৌঁছাচ্ছে। একটু পরিষ্কার করে দেওয়া দরকার।
  • না ভোটের এই বিপুল পার্সেন্টেজ আপনাদের ভালোবেসে না। ২০০+ সিটে এগিয়ে থাকা আপনাদের উন্নয়নে অভিভূত হয়ে না। ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’, ক্যাম্পেনিংয়ের জন্য নয়। কন্যাশ্রী বা রূপশ্রী বা সবুজসাথীর জন্যও নয়। ৬৫ উর্ধ্ব ওই বয়স্ক মহিলাটিকে দেখেও না।
  • এবারে বাংলার বেশিরভাগ মানুষই আপনাদের ভোট দিয়েছেন বাইরে থেকে আসা বর্গীদের তাড়াতে। ওরা আপনাদের জেতাতে ভোট দেননি, দিয়েছে দাঙ্গাবাজ সাম্প্রদায়িক দলটাকে হারাতে। পার্থক্য বোঝেন? ওরা উত্তরপ্রদেশ দেখেছে, ওরা কৃষকদের রাস্তায় শুয়ে মরতে দেখেছে, ওরা পেট্রোপণ্যের দাম দেখেছে, ওরা দেশের অর্থনীতি দেখেছে, বেকারত্বের রেকর্ড দেখেছে এবং আরও কত কী! তাই ওরা নিজের রাজ্যটাকে ভালোবেসে ওদেরকে ভোট দেয়নি।
  • বাংলার মানুষ কিন্তু এখনও বেকার ভাতা চায় না, ২ টাকা কিলো চাল চায় না, সরকারি চাকরীর পরীক্ষা দিয়ে বছরের পর বছর বেকার হয়ে বসে থাকতে চায় না, হাজার মাইল দূরে বাড়ি পরিবার ছেড়ে রাজ্যের বাইরে গিয়ে চাকরি করতে চায় না, ভেঙে পড়া এই স্বাস্থ্য পরিকাঠামো চায় না, তোলাবাজি চায় না, কাট মানি দিতে চায় না, এবং ইত্যাদি ইত্যাদি।
  • তাই এই জয় কে ব্যক্তিগত গর্বের কারণ করে তুলবেন না। তার থেকে বরং এখন থেকেই কাজ করতে শুরু করুন। সবার প্রথমে এই কাণ্ডজ্ঞানহীন বিজয় মিছিলটাকে বন্ধ করুন। রাজ্যের মানুষ অক্সিজেনের অভাবে, বেডের অভাবে মারা যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। এইসময় মুখ থেকে মাস্ক নামিয়ে, আবির মেখে, মুখে রসগোল্লা পুরে, একে অপরের ঘাড়ে মাথায় উঠে, হে হে করে হাসতে হাসতে মিডিয়ার সামনে নাচবেন না। সেন্সিবেল হন। আবার বলছি, এখন থেকেই কাজ করা শুরু করুন। আপনাদের এবার বোঝা উচিত আপনার রাজ্যের ভোটাররা শিক্ষিত বাঙালি, আমরা বিজেপি তাড়াতে পারলে, যে কোনও দলকেই তাড়াতে পারি।

মনে রাখবেন, আমরা সরকারকে দুয়ারে চাই না। ভিক্ষা চাই না আমরা। আমরা সরকারকে বন্ধুর মতোই,
আমাদের পাশে চাই…