• নিউজপোল ডেস্ক : করোনার মতো অতিমারিতে অরণ্য শহর ঝাড়গ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছে ওখানের ‘মন্দ’ ছেলেরা। প্রতিদিন গড়ে ১০০ জন করোনা আক্রান্তের মধ্যে ৪০ শতাংশ খোদ ঝাড়গ্রাম থেকে। ফলে অনেকেই গৃহবন্দি।কোথাও বৃদ্ধ বৃদ্ধা ঘর বন্দি, কোথাও আবার অনেক বাড়িতে সকলেই করোনা পজিটিভ হওয়ায় জল এগিয়ে দেওয়ার লোক নেই। এরকম অসহায়দের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে ‘ঝাড়গ্রাম ব্যাড বয়েজ ফাউন্ডেশন’। ঝাড়গ্রাম শহরের কোভিড আক্রান্ত দের জন্যে এই সংগঠনের সদস্যরা দিন রাত এক করে পরিষেবা দিয়ে চলেছে।
  • এই সংগঠনের পথ চলা শীতের রাতে নিঃস্ব দের হাতে কম্বল তুলে দেওয়া থেকে। তারপর এক এক করে বিভিন্ন সেবা মূলক কাজের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে চলেছে এই মন্দ ছেলেরা। বর্তমানে সদস্য সংখ্যা ৩০ জন। তাঁদের মধ্যে ব্যবসায়ী, চাকুরীজীবী থেকে শুরু করে শিক্ষক, ইঞ্জিনিয়ার সব আছেন।
  • সমাজ যাদের অন্য চোখে দেখে তারাই বছর তিনেক আগে তৈরী করে ‘ঝাড়গ্রাম ব্যাড বয়েজ ফাউন্ডেশন’।সাত পাঁচ না ভেবে সকলের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়াই ওদের উদ্দেশ্য।
    পনেরো দিন ধরে অক্লান্ত শরীরে তারা কোভিড আক্রান্ত দের বাড়িতে দুপুর ও রাতে খাবার পৌঁছে দিচ্ছে। এছাড়াও ওষুধ, অক্সিমিটার থেকে শুরু করে মুদিখানার জিনিস পৌঁছে যাচ্ছে শহরের অলিগলিতে। সংগঠনের সদস্যের কথায়, সকালে বিকালে ফোন করে খাবারের মেনু জিজ্ঞাসা করে নেওয়া হয়। তারপর রান্না করে সেই খাবার পৌঁছে দেওয়া হয়। সদস্যরা আরও জানায় মাস্ক পড়ে, দূরত্ব বিধি বজায় রেখেই কাজ করা হয়। এই মুহুর্তে ঝাড়গ্রাম শহরে ৬ টি পরিবারের কাছে দুবেলা খাবার দেওয়া হচ্ছে। তাঁরা এও বলেন তাঁরা খাবার খেয়ে আমাদের আশীর্বাদ করে। আমাদের ভালো লাগে এই অতিমারি তে মানুষের পাশে থাকতে পেরে।

সংগঠনের সভাপতি দেবাংশু পাহাড়ি বলে, এই শহরে দিন দিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ফলে মানুষ খুব অসহায় হয়ে পড়ছেন। শহরের মানুষ হিসাবে এঁদের পাশে দাঁড়াতে পেরে খুব ভালো লাগছে।