করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যখন বিশ্ব কিছুটা আলোর মুখ দেখতে শুরু করেছে, তখনই এর মধ্যে আবার শুরু হয়েছে করোনার নতুন স্ট্রেনের সংক্রমণ। মূলত ব্রিটেনে বেড়েছে এই নতুন স্ট্রেনের সংক্রমণের হার। অতিমারীর শুরু থেকেই বিজ্ঞানীরা ব্যস্ত ছিলেন এই ভাইরাস নিয়ে গবেষণায়। এবার এই নতুন স্ট্রেন, নতুন করে চিন্তার ছাপ ফেলেছে তাঁদের মুখে। প্রথমে ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল, নয়া স্ট্রেন খুব তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে পড়লেও, ধীরে ধীরে এর ক্ষমতা কমবে। তবে সম্প্রতি ইমপেরিয়াল কলেজ অফ লন্ডন-এর একটি অ্যানালিসিসের রিপোর্ট বলছে, ২০ বছরের কম যাঁদের বয়স, তাঁদের উপর ভাইরাসের এই নতুন স্ট্রেন প্রভাব ফেলবে বেশি।

গত বছরে স্কুল, কলেজ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার ফলে, স্বাভাবিক সামাজিক জীবন হারাচ্ছে শিশু এবং তরুণেরা। ইউনিসেফ-এর তথ্য অনুযায়ী, গত বছরে প্রায় ৪৬০ মিলিয়ন শিশু বাড়ি থেকে ক্লাস করার সুযোগ পায়নি। তাঁদের পড়াশোনা, ভবিষ্যতের ক্ষেত্রে বিরাট ক্ষতি তো হয়েছেই, সঙ্গে বাড়ি থেকে না বেড়িয়ে শুরু হয়েছে বেশ কিছু শারীরিক সমস্যাও। করোনা সংক্রান্ত ক্ষতি নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে খুব স্বাভাবিকভাবেই তাই উঠে আসে নব প্রজন্মের কথা।

করোনার সংক্রমনের হার কিছুটা কমতে শুরু করায়, খোলা হয়েছিল বেশ কিছু স্কুল। কিন্তু ফের এই নয়া স্ট্রেনের সংক্রমণ বাড়তেই বিশেষত ব্রিটেনের স্কুল ফের বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। এ দিকে ভারতবর্ষে এখন এক-এক করে খোলা হচ্ছে স্কুল। তবে নতুন স্ট্রেনের প্রকটে ফের কি স্কুল বন্ধের পথেই হাঁটতে হবে, উঠছে সে প্রশ্নও।