রবিবার ত্রিপুরায় গ্রেফতার হলেন সায়নী ঘোষ। তখনই আগরতলা যাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়(Abhishek Banerjee)।

কিন্তু রবিবার যেতে পারেননি তিনি, অনুমতি পাননি।

সোমবার সকালেই তিনি পৌঁছান আগরতলা।

আগরতলায় হুঙ্কার দিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়(Abhishek Banerjee) বলেন,

‘আজ ২২ তারিখ, আইনশৃঙ্খলার কারণ দেখিয়ে ত্রিপুরায় তৃণমূলের পদযাত্রার অনুমতি দেওয়া হল না।

তবে ২৫ তারিখ এখানে পুরভোট অবাধে হবে কী করে।ঠিকঠাক নির্বাচন হলে আগরতলা কর্পোরেশনে বিজেপি খাতাই খুলতে পারবে না’ –

এই বলে বিপ্লব দেবের সরকারকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন অভিষেক(Abhishek Banerjee)।

এছাড়াও সায়নী ঘোষের গ্রেফতার ও ত্রিপুরায় বারংবার তৃণমূল দলের উপর ‘হামলা’-সহ

একাধিক বিষয় তুলে এনে বিপ্লব দেবের সরকারকে নিশানা করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবার ত্রিপুরার বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো তুলেছেন সেগুলো হল-

● ত্রিপুরায় বিরোধীদের সভার অনুমতি দেওয়া হয় না।

● হাসপাতালে গুন্ডা ঢুকে যায়।
● সংবাদমাধ্যমের উপর গুন্ডাদের হামলা চলে।

● ত্রিপুরার থানায় দুবার হামলা। নিরাপত্তারক্ষীদের এই অবস্থা হলে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা হবে!

● পুলিশ গুন্ডাদের মারতে দেখলে নীরব দর্শকের ভূমিকা নেয়।

● বিজেপি নেতাদের খুশি করতে ব্যস্ত ত্রিপুরা পুলিশ।
● বিরোধীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে ত্রিপুরাকে।

● সুপ্রিম কোর্টে অবমাননার মামলা করেছে তৃণমূল, মঙ্গলবার শুনানি।

● সংবিধানের অপব্যবহার চলছে ত্রিপুরায়।