উত্তরবঙ্গে শুটআউট হয়েছিল কিছুদিন আগেই। এরপর ব্যবধান মাত্র কয়েকদিনের। ফের শুটআউট চলল উত্তর দিনাজপুরে(North Dinajpur)

উত্তর দিনাজপুরের(North Dinajpur) ইসলামপুর এলাকায় ভরা বাজারে এবার স্থানীয় এক তৃণমূল নেতাকে গুলি খুন করল দুষ্কৃতীরা। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিস।

প্রাথমিক খোঁজ খবর করে জানা গিয়েছে, নিহত তৃণমূল নেতার নাম এসরামূল হক। তাঁর বাড়ি, ইসলামপুরে বন্দীরামগছ গ্রামে।

আগডিমটিখুন্তি নামক পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য ছিলেন তিনি। শুক্রবার বিকেলে বাইক চেপে স্থানীয় রিঙ্কুয়া বাজারে এসেছিলেন এসরামূলক।

বাজারের প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ভরা বাজারেই সকলের সামনে ওই তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় তিন দুষ্কৃতী। রক্তাক্ত অবস্থায় বাজারেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান তৎক্ষণাৎ।

তিনজন হামলাকারীই বাইকে করে এসেছিল বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।

গুলি করার পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হচ্ছে বুঝে দ্রুত এলাকা থেকে পালিয়ে যায় তিনজন দুষ্কৃতী।

বাজার থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ইতিমধ্যেই ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিস। শুরু হয়ে গিয়েছে তদন্ত।

Again a shootout happened in Northern Dinajpur
উত্তরবঙ্গ পুলিশ

এদিকে কয়েক দিন আগে ভরসন্ধেয় গুলি চলেছিল উত্তর দিনাজপুরের(North Dinajpur) রায়গঞ্জে। সকলের মুখে উঠে আসছে সেই ঘটনার কথা।

সেদিন রায়গঞ্জের দেবীনগরের সুকান্ত মোড়ে বাপের বাড়িতে এসেছিলেন দেবী স্যানাল।তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাঁর বোন রূপা স্যানাল ও পুলিসকর্মী ভাই সুজয় মজুমদার।

অভিযোগ ছিল, আচমকাই বাড়িতে চড়াও হয়েছিল একদল দুষ্কৃতীরা।

দেবী, রূপা ও সুজয়কে বাড়ি থেকে টানতে টানতে রাস্তা নিয়ে যায় তারা এবং রাস্তায় নিয়ে গিয়েই তাঁদের লক্ষ্য করে এলোপাথারি গুলি চালানো হয়!

তিন ভাই-বোনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে হাসপাতালে দেবীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা(Doctors)।

রূপা ও সুজয় এখনও হাসপাতালে ভর্তি। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শীতল রায় ওরফে পাপানকে ইতিমধ্যেই শিলং থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিস।

ধরা পড়েছে অভিযুক্তের স্ত্রী সুপর্ণা ও শ্যালক গোপালকৃষ্ণ বিশ্বাসও।

আতঙ্কে দিন কাটছে এখন উত্তর দিনাজপুরের মানুষের।

আরও পড়ুন – Mumbai: আরিয়ানকে নিয়ে মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ