বাংলাদেশ(Bangladesh) সরকার ১৯৭১ থেকে ধীরে ধীরে গোটা বিশ্বের সামনে যে ভাবমূর্তি তৈরি করেছে তাতে কালি লেপার জন্যই ছক কষে অশান্তি বাধানো হচ্ছে।

বিষয়টি পূর্ব পরিকল্পিত বলেই মনে করছে ঢাকা প্রশাসন। সে দেশের বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে বলা হয়েছে,

‘এই পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনা সরকার আবার সকলকে মনে করিয়ে দিতে চাইছে যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং ভারতের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান করা

বাংলাদেশের(Bangladesh) ঘরোয়া নীতিগুলির মধ্যে অন্যতম।

বাংলাদেশ সরকার উদ্বেগের সঙ্গে নজর করছে, কিছু মৌলবাদী গোষ্ঠী রাজনৈতিক স্বার্থের বশবর্তী হয়ে এই ধরনের পূর্ব পরিকল্পিত হামলা করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করছে।

এটা অত্যন্ত নিন্দাজনক যে পঞ্চাশ বছর আগে বাংলাদেশের(Bangladesh) যে সব স্থানীয় গোষ্ঠী বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল,

তারা এখনও তাদের সেই মনোভাবের বশবর্তী হয়ে বিষাক্ত বার্তা ছড়িয়ে যাচ্ছে, যার ফলে আরও কিছু লোকের মনে হিংসা বাড়ছে।’

ঢাকার তরফে নয়াদিল্লিকে(New Delhi) খবর পাঠানো হয়েছে, দুই দেশের মানুষের মধ্যে আস্থা ও প্রীতির সম্পর্ক নষ্ট হলে জয়ী হবে মৌলবাদী শক্তি যা কখনোই কাম্য নয়,

যারা হাসিনা সরকারকে যে কোনও প্রকারে ক্ষমতাচ্যুত করতে উদ্যত তারাই প্রধানত এইসব ঘটনা ঘটাছে।

বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের তরফে জানানো হয়েছে যে, ‘বাংলাদেশের আইন বিভাগ এবং তদন্তকারী গোষ্ঠীর হাতে যে প্রযুক্তি রয়েছে,

তাকে সম্পূর্ণরূপে কাজে লাগিয়ে দোষীদের শাস্তি দেওয়ার পূর্ণ চেষ্টা চালানো হচ্ছে এই বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা(Sheikh Hasina)।

সরকারের শীর্ষ নেতারা হিন্দুদের উপর হামলার জায়গাগুলি সরেজমিনে খতিয়ে দেখেছেন।

দুই দেশের প্রতিবাদী সবাইকে আশ্বস্ত করা হয়েছে আপাতত।

বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে এবং তাদের পরিবারের ও ঘরবাড়ির যা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা সরকারের তরফে পূরণ করা হবে।’

পাশাপাশি এ কথাও জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার যে,

Bangladesh has sent news for New Delhi
বাংলাদেশে প্রতিবাদ

সে দেশের গণমাধ্যম, নাগরিক সমাজ, শিল্পী ও লেখক, খেলোয়াড় থেকে ছাত্ররা অবধি সবাই এই ঘটনার নিন্দা করছেন।

আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরাও মাঠে নেমেছেন, যাতে দুই দেশের মধ্যে কোথাও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট না হয়।

আরও পড়ুন – By-election: উপনির্বাচন নিয়ে অতিরিক্ত সতর্কতা সৃষ্টি করছে জল্পনা