নিউজপোল ডেস্কঃ বাবা -মাই পারে সন্তানদের ভালো রাখতে। সব মা-বাবাই চান তাঁদের সন্তানরা যেন ভালো ভাবে বড় হয়। তার জন্য চেষ্টার অন্ত নেই। দিন-রাত এক করে দুধের গ্লাস হাতে কখনও ছোটেন, তো কখনও রাত জেগে পরীক্ষার প্রশ্ন তৈরির ঝক্কি পোহান। সারাটা বাচ্চার জন্যই ভেবে চলেন। কিন্তু, ভেবে দেখেছেন এতে বাচ্চার শৈশব নষ্ট হচ্ছে কিনা।

বাচ্চার শৈশব নষ্ট হতে দেবেন না

মা-বাবারা বাচ্চাকে সব সময় পরীক্ষায় প্রথম করতে ব্যস্ত। বাচ্চার জন্য রুটিন তৈরি করে থাকেন। তাতে অধিকাংশ সময়টাই পড়ার জন্য বরাদ্দ। বাকি ফাঁকা থাকলে আঁকার ক্লাস, গানের ক্লাস, টেবিল টেনিসের ক্লাস ইত্যাদি। কিন্তু, ভেবে দেখেছেন এর প্রভাবে বাচ্চার শৈশব নষ্ট হচ্ছে। আজকাল বাচ্চারা খেলার মাঠে যায় না, বন্ধুদের সঙ্গে মেশে না। এমনটা মোটেই ভালো নয়। এভাবে শৈশব নষ্ট হতে দেবেন না। ওকে খেলতে দিন। দিনের কিছু সময় নিজের মতো থাকতে দিন।

বাচ্চাকে সিলেবাসের বাইরে শেখান। বাচ্চাকে সঠিকভাবে বড় করতে হলে গল্পের বই পড়ান, জেনারেল নলেজ বাড়ান, চারপাশের খবর জানান। খবরের কাগজ পড়তে অভ্যেস করুন। এতে ওরই উপকার। বাচ্চাকে ঘরকুনো হতে দেবেন না। রোজ নিয়ম করে মাঠে নিয়ে যান। আর সপ্তাহে একদিন অন্তত আত্মীয় পরিজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করান। তবে বাচ্চার সঠিক মানসিকতা তৈরি হবে।