আবর্জনা অর্থাৎ বর্জ্য পদার্থ থেকে হিউম্যানয়েড রোবট তৈরি করেছেন মুম্বইয়ের এক কম্পিউটার সায়েন্সের শিক্ষক। অবিকল মানুষের মতো দেখতে ওই রোবটকে এক মহিলার রূপ দিয়েছেন ওই শিক্ষক দীনশ পটেল। নাম দিয়েছেন শালু। বিশ্বের প্রথম আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ভিত্তিক হিউম্যানয়েড রোবট ছিল সোফিয়া। তার থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই শালুকে নির্মাণ করেছেন মুম্বইয়ের ওই শিক্ষক।

দীনেশ জানিয়েছেন, বিভিন্ন ভাষায় কথা বলতে সক্ষম শালি। শুধু তাই নয়, পড়ুয়াদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবও অনায়াসেই দিতে পারে এই রোবট। এছাড়াও সমসাময়িক খবর, আবহাওয়া সংক্রান্ত তথ্য এবং রাশিফলও গড়গড় করে বলে দিতে পারে এই রোবট। মানুষের মধ্যে সহজাত যেসব স্বাভাবিক অনুভূতি, অভিব্যক্তি দেখা যায়, তার অনেক কিছুই রয়েছে এই রোবটের মধ্যে। হাসি থেকে রাগ… শালু কিন্তু সবই প্রকাশ করতে পারে।

মুম্বইয়ের শিক্ষক জানিয়েছেন শালুকে তৈরি করার জন্য প্লাস্টিক, অ্যালুমিনিয়াম, কার্ডবোর্ড এইসব জিনিস ব্যবহার করেছেন তিনি। তবে বর্জ্য পদার্থ দিয়ে তৈরি হলেও রোবট কিন্তু বেশ কাজের। ভারতের ৯টা আঞ্চলিক ভাষা বলতে পারে শালু। সেই সঙ্গে ৩৮টি বিদেশি ভাষায় দখল রয়েছে তার। এছাড়াও মানুষকে চিনতে পারে, হাসি-রাগ বিভিন্ন অভিব্যক্তি প্রকাশ করা, গড়গড় করে রান্নার রেসিপি মুখস্থ বলে যাওয়ার পাশাপাশি আরও অনেক কাজেই পারদর্শী শালু। এই রোবটের নামে একটি ইউটিউব চ্যানেলও রয়েছে। তার নাম ‘আপনি রোবো শালু’। ২০২০ সালে ইউটিউবের একটি ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছিল, অনর্গল বিভিন্ন ভাষায় কথা বলছে শালু।