বছর ঘুরলেই নতুন বছরে দেশের সবচেয়ে বড় রাজ্যে হবে বিধানসভা নির্বাচন। উত্তরপ্রদেশ(UP) দখলের জন্য এবার কোমর বেঁধে নেমেছে কংগ্রেস, তৈরি করছে মাস্টারপ্ল্যান।

উত্তরপ্রদেশে বিজেপিকে রুখতে এবার নারী শক্তিতেই ভরসা করছে কংগ্রেস।

উত্তরপ্রদেশের(UP) বিধানসভা নির্বাচনে ৪০ শতাংশ আসনের টিকিট মহিলাদের জন্য বরাদ্দ করল কংগ্রেস।

এমনটাই জানিয়েছেন উত্তর প্রদেশ(UP) কংগ্রেসের দায়িত্বে থাকা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা।

উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা ভোট ২০২২-এ। তার তোড়জোড় এখন থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে।

একদিকে উত্তর প্রদেশের মত বড় রাজ্যে ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া বিজেপি(Bjp)।

অন্যদিকে, যোগী সরকারের কার্যকলাপের খুঁত তুলে এনে তাদের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ এনে ক্ষমতায় ফিরতে তৎপর হচ্ছে কংগ্রেস।

ভোটের কয়েক মাস আগে লখিমপুর খেরিতে(Lakhimpur Kheri) কৃষক মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে এমনিতেই অস্বস্তি বেড়েছে যোগী সরকারের। হাতে-গরম এমন জ্বলন্ত ইস্যুকে কোনোভাবেই হাতছাড়া করতে নারাজ কংগ্রেসও।

কৃষকদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে যোগী বিরোধী প্রচার তুঙ্গে চালাচ্ছে হাত শিবির। উত্তরপ্রদেশ দখলের জন্য এবার নারীশক্তির(women empowerment) উপরে ভরসা রাখছে হাত শিবির।

আসন্ন নির্বাচনে ৪০ শতাংশ আসনে মহিলাদের প্রার্থী হিসেবে টিকিট দিতে চান সোনিয়া-রাহুলরা। প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও ঘোষণা করলেন সেই কথাই।

Congress is taking a new way to conquer UP
উত্তরপ্রদেশে ভোট প্রচারে কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

গত কয়েক বছরে উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন প্রান্তে মহিলাদের উপর নির্যাতনের গ্রাফ ক্রমশ উপর দিকে উঠছে।

সেইসব ঘটনার কথা উল্লেখ করে উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী(Priyanka Gandhi)।

উত্তরপ্রদেশের মহিলারা এবার তাদের রাজ্যে বদল চাইছেন বলে সওয়াল তুলেছেন কংগ্রেস নেত্রী।

প্রিয়াঙ্কার কথায়, “২০১৯-এ লোকসভার আগে উত্তর প্রদেশে ভোটের প্রচারে এসেছিলাম।

এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের(Allahabad University) কয়েকজন ছাত্রী আমাদের দেখিয়েছিলেন যে ক্যাম্পাস এবং হোস্টেলে পুরুষ এবং মহিলাদের জন্য আলাদা নিয়ম বহাল রয়েছে। আমাদের এই সিদ্ধান্ত মেয়েদের জন্যই।

আমাদের এই সিদ্ধান্ত সেইসব মহিলাদের জন্যও, যাঁরা আমাকে গঙ্গাযাত্রার সময় বলেছিলেন যে তাঁর গ্রামে এখনো কোনও স্কুল নেই।”

আরও পড়ুন – By-election: উপনির্বাচনের নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক থাকছে নির্বাচন কমিশন