নিউজপোল ডেস্ক: প্রত্যক্ষভাবে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হতে চাননি আগে কোনওদিন। রাজনৈতিক মঞ্চে সরাসরি পা রেখেছিলেন তৃণমূলের হয়েই। রাজ্যসভার সাংসদ পদেও ছিলেন তিনি। তারপর ক্রমশই যেন দূরত্ব বাড়তে থাকে দলের সঙ্গে। যদিও তাঁর শারীরিক অসুস্থতার কথা শোনা গেছে বহুবার। আচমকাই যেন খবরের শিরোনামে এলেন তিনি। তার আড়ালেও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকেই। তিনি মিঠুন চক্রবর্তী। সম্প্রতি নাগপুরের আরএসএস-এর সদর দফতরে দেখা গেছে প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদকে। তা নিয়েই রাজনীতির ময়দানে শুরু হয়েছে গুঞ্জন।
সাংসদ পদে ইস্তফা দেওয়ার কারণ হিসেবেও মিঠুন শারীরিক অসুস্থতার কথা বলেছিলেন। তারপর হাতে গোনা কয়েকবার এসেছিলেন বাংলায়। আমেরিকায় বেশ কিছুদিন ছিলেন বলেও জানা গিয়েছিল। কিন্তু কোনও রাজনৈতিক মঞ্চে তাঁকে দেখা যায়নি। যেহেতু আগাগোড়াই তিনি প্রত্যক্ষ রাজনীতি থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করতেন, তাই এই বিষয়ে কারও মনে কোনও প্রশ্নও জাগেনি এতদিন। কিন্তু সব জল্পনা যেন উস্কে দিলেন মিঠুন চক্রবর্তী নিজেই। বৃহস্পতিবার সকালে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটাতে দেখা গেল নাগপুরের আরএসএস-এর দফতরে। সেখানে হেগড়াওয়ারের মূর্তিতে মালাও দিয়েছেন তিনি। সেই খবর পেয়ে অনেকেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য খুঁজে পাচ্ছেন এর পেছনে। যদিও এই বিষয়ে মুখ খোলেননি তৃণমূলের সাংসদ।
২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে সাংসদপদে ইস্তফা দেওয়ার পর তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ তো দূরের কথা, এই রাজ্যেও সেভাবে দেখা যায়নি তাঁকে। এদিকে তৃণমূলের নেতা ও কর্মীরা যেভাবে দল পাল্টাচ্ছেন, সেই পরিস্থিতিতে মিঠুন চক্রবর্তীর আরএসএস সদর দফতরে যাওয়ার বিষয়টির পেছনে অন্য কোনও উদ্দেশ্য নেই তো, প্রশ্ন জাগছে আমজনতার একাংশের মনে।