নিউজপোল ডেস্ক: শনিবার ১২ অক্টোবর দিল্লিতে রাষ্ট্রীয় তথ্য পরিষদের ১৪তম বার্ষিক সম্মেলনের প্রধান অতিথি ছিলেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, নিজেদের প্রত্যেকটি প্রকল্পে ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক সমস্ত তথ্য আমজনতার সামনে তাঁরা প্রকাশ করেন। মোদী সরকারের এই স্বচ্ছতাই ভারতে আরটিআই-এর প্রয়োজন কমিয়ে দিয়েছে।

আরটিআই আইন সাধারণ মানুষ এবং সরকারের মধ্যবর্তী ফাঁক বোজানোর জন্যই তৈরি করা হয়েছিল। সরকারের প্রতি মানুষের কোনও প্রশ্ন থাকলে এই আইনের মাধ্যমে সেটার উত্তর পাওয়া সম্ভব। এর ফলে, সরকারের প্রতি অবিশ্বাসের মনোভাব তৈরি হলে, সেটা কেটে যাওয়ার একটা সুযোগ থেকে যাচ্ছে। এই আইন তৈরি করাকালীন, আইনের অপব্যবহার নিয়ে আইন প্রণেতাদের মধ্যে খানিকটা হলেও প্রশ্ন ছিল। কিন্তু দেখা গেছে, গত ১৫ বছরে আরটিআই আইনের উপকারিতা তুলনামূলক ছাপিয়ে গেছে সেটার অপব্যবহারকে।

তবে বর্তমান সরকারের শাসনকালে আরটিআইআইনের প্রয়োজনীয়তা অনেকটাই কমে গেছে বলে দাবি করলেন অমিত শাহ। তাঁর বক্তব্য, মোদী সরকারের শুরু করা যে কোনও প্রকল্প অথবা পরিকল্পনার ক্ষেত্রে থাকে একটি ‘ড্যাশবোর্ড’। এই ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে বিষয়টি সম্পর্কে সমস্ত রকম তথ্য জেনে নিতে পারেন যে কোনও সাধারণ মানুষ। সেই কারণে, আরটিআই আইনের সাহায্য নেওয়ার প্রয়োজন কমে গেছে সাধারণ ভারতীয়ের। তিনি আরও জানিয়েছেন, সরকার চেষ্টা করছে ভবিষ্যতে এরকম একটি পরিকাঠামো তৈরি করার, যেখানে সমস্ত রকম তথ্যই থাকবে জনগণের আওতার মধ্যে।