নিউজপোল ডেস্ক:‌ ২০০৫ সালে তথ্য জানার অধিকার আইন প্রণয়ন হয়। এই আইনের আওতায় সাধারণ মানুষ প্রশাসনিক, সরকারি কাজকর্ম সংক্রান্ত যে কোনও তথ্য জানতে চেয়ে আবেদন করতে পারবেন। আর তার উত্তর দিতে বাধ্য থাকবে ২৮টি রাজ্যের তথ্য কমিশন। এই কমিশন কীভাবে কাজ করছে, তার বার্ষিক রিপোর্ট প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক। ২০০৫ সাল থেকে এখন পর্যন্ত একটি রিপোর্টও প্রকাশ করেনি উত্তরপ্রদেশ। এদিকে তথ্য কমিশনের প্রত্যেকটি বার্ষিক রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ছত্তিশগড়।
আরটিআই ২০০৫ আইনে রাজ্যের তথ্য কমিশন কীভাবে কাজ করছে, তার রিপোর্ট প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক। এই আইনের ২৫ (‌১)‌ ধারায় কমিশন সেই রিপোর্ট তৈরি করে উদ্দিষ্ট সরকারকে দেবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, সে রকম হয়নি। ২০০৫ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত প্রতি বছরের রিপোর্ট শুধু প্রকাশ নয়, ওয়েবসাইটেও পোস্ট করেছে ছত্তিশগড়ের তথ্য কমিশন। ২৮টি রাজ্যের (‌জম্মু ও কাশ্মীর বাদে)‌ তথ্য কমিশনের মধ্যে ৯টি রাজ্যের কমিশন ২০১৭–১৮ পর্যন্ত এই রিপোর্ট পেশ করেছে। জানাল ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ইন্ডিয়া (‌টিআইআই)‌।
আরও একটি আপত্তিকর বিষয় উঠে এসেছে টিআইআই–এর রিপোর্টে। তাতে দেখা গেছে মাত্র সাতটি রাজ্যের তথ্য কমিশনে মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। শতাংশের হিসেবে সাড়ে চার শতাংশ। বাকি রাজ্যের কমিশনে কোনও মহিলা প্রতিনিধি নেই। বিহারের তথ্য কমিশনের আবার কোনও ওয়েবসাইটই নেই। রাজস্থান, গুজরাটের ওয়েবসাইট থাকলেও তাতে প্রকৃত তথ্য নেই। কিছু প্রাথমিক তথ্য রয়েছে। ২০০৫ সাল থেকে সবথেকে বেশি আরটিআই হয়েছে তামিলনাড়ুতে। ৪ লক্ষ ৬১ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। সব থেকে কম আরটিআই জমা পড়েছে মিজোরামে। মাত্র ২০৫টি। ২০০৫ থেকে পশ্চিমবঙ্গে আরটিআই জমা পড়েছে ২০ হাজার ৫৮টি।