নিউজপোল ডেস্ক: লেক গার্ডেন্স উড়ালপুলের পাশে কেএমডিএ আবাসনের পাশে ভাড়া থাকতেন অরিজিত্‍‌ দত্ত ও তাঁর স্ত্রী সম্পূর্ণা দত্ত। বৃহস্পতিবার অনেক বেলা পর্যন্ত ঘরের দরজা না-খোলায় প্রতিবেশীরা বাড়ির মালিককে বিষয়টি জানান। এরপর সবাই মিলে দরজায় ধাক্কা মেরেও কোনও সাড়া না-পাওয়ায় সন্দেহ হয়। জানলা দিয়ে উঁকি মেরে তাঁরা দেখতে পান গলায় ফাঁক দেওয়া অবস্থায় ঝুলছে অরিজিতের দেহ। এরপরই পুলিশে খবর দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় চারু মার্কেট থানার পুলিশ। যান কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের কর্তারা। পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকে। অরিজিত্‍‌ ও সম্পূর্ণার ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তের পর অনুমান করা হচ্ছে যে, তাঁরা আত্মহত্যা করেছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, দুজনের গলাতেই ফাঁস লাগানো ছিল। ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে যান সম্পূর্ণার বাবা কৃষ্ণ সরকার। তিনি জানান, অরিজিতের সঙ্গে তাঁর মেয়ের বিয়ে হয় তিন বছর আগে। অরিজিত্‍‌ অ্যাপ ক্যাব চালাতেন। তাঁদের একটি সন্তানও হয়েছিল। তবে চার মাস বয়সে শিশুটি মারা যায়। মেয়ে-জামাইয়ের মধ্যে সম্পর্ক খুবই ভালো ছিল বলে জানিয়েছেন কৃষ্ণবাবু। তাঁর দাবি, আত্মহত্যা করার মতো কোনও কারণই ঘটতে পারে না। তবে প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ এটিকে আত্মহত্যার ঘটনা বলেই মনে করছে। একটি সুইসাইড নোটও উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতদেহটিকে ময়নাতদন্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর কারণ স্পষ্টভাবে জানা সম্ভব হবে।