নিউজপোল ডেস্ক: দিনমজুরি করে দৈনিক ৩০০ টাকা রোজগার করেন ভাউসাহেব আহিরে। ২০১৬ সালে নোটবন্দির সময়ে নিজের অ্যাকাউন্টে ৫৮ লক্ষ টাকা আমানত রাখার জন্য তাঁকে ১.০৫ কোটি টাকা করের নির্দেশ পাঠাল ভারতের আয়কর দফতর।

আম্বিভলি অঞ্চলের এক বস্তির বাসিন্দা আহিরের দাবি, যে অ্যাকাউন্টে টাকা জমা পড়েছে, সেরকম কোনও অ্যাকাউন্টের কথাই জানেন না তিনি। আয়কর দফতরের নির্দেশ পাওয়ার পরই স্থানীয় থানায় গিয়ে পুলিশের সাহায্য চান তিনি। পুলিশকে তিনি আরও বলেন, এটি জাল অ্যাকাউন্ট। নিজের কোনও ঘরও নেই আহিরের। নিজের শ্বশুরের ঝুপড়িতেই থাকেন তিনি। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি প্রথম বার আয়কর দফতরের নির্দেশিকা পান। নির্দেশিকা অনুসারে, ২০১৬ সালে নোটবন্দির সময়ে একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে তাঁর নামে ৫৮ লক্ষ টাকা জমা পড়ে। তিনি আয়কর দফতরের কার্যালয়ে যোগাযোগ করে জানতে পারেন, অ্যাকাউন্ট খোলার সময় তাঁর প্যান কার্ড ব্যবহার করা হয়েছিল। কিন্তু ব্যবহৃত ছবি অন্যের এবং তাঁর সইও জাল করা হয়েছিল।

আয়কর দফতরে যোগাযোগ করে আহিরের যদি মনে হয় থাকে সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে, তাহলে ভুল ভেবেছিলেন তিনি। গত ৭ জানুয়ারি। ২০২০-তে তিনি ফের আয়কর দফতরের থেকে ১.০৫ কোটি টাকা কর দেওয়ার নির্দেশিকা পান। এরপরই পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন আহিরে। পুলিশ সূত্রের খবর, আহিরের অভিযোগের ভিত্তিতে এই বিষয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।