“সবিনয় নিবেদন” দিয়ে পথচলা শুরু তারপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে।

একের পর এক ধারাবাহিকে দুর্দান্ত অভিনয় দিয়ে মন জয় করেছেন এই অভিনেত্রী।

ছোটপর্দা থেকে সুযোগ হয়েছে বড় পর্দায় কাজ করার, অনেক নামিদামি অভিনেতা দের সাথেও কাজ করার

সুযোগ পেয়েছেন টলিউডের মিষ্টি, সুন্দরী অভিনেত্রী পাখি অর্থাৎ মধুমিতা সরকার (Madhumita Sarkar)।

সম্রতি তার পরবর্তী ছবির নিয়ে বেশ উৎসাহিত তার অনুগামীরা। এই ছবিতে মধুমিতাকে দেখা যাবে বিক্রম চ্যাটার্জীর বিপরীতে।

তার এই নতুন সিনেমার গল্পটি বেশ কৌতুকময়। শুধু মাত্র একটি পদবী যে জীবনে কত বড় সমস্যা হতে পারে তাই আমরা দেখতে পাবো “কুলের আচার” ছবিটিতে।

এই পদবী ঘিরেই নানান সমস্যা। কিন্তু বাস্তব জীবনে পদবী কি শুধু নামের পাশের অংশ নাকি তার থেকেও

বেশি কিছু, একটা পদবীর সাথে জড়িয়ে থাকা সমস্ত আবেগ কে ঘিরে এই চিত্রনাট্য।

নতুন ছবিতে আমরা সেটা জানতে চলেছি। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে ছবির ট্রেলার ।

এই ছবির প্রযোজনা করছেন এসভিএফ।

এই ছবিতে মধুমিতা সরকারের পাশাপাশি দেখা যাবে বিক্রম চ্যাটার্জীকে এছাড়াও আমরা দেখতে পাবো

ইন্দ্রানী হালদারকে এছাড়াও আছে বাকি নামকরা অভিনেতা অভিনেত্রী।

অনেক টা সময় বিরতির পর দর্শকরা বড় পর্দায় দেখে চলেছেন ইন্দ্রানী হালদারকে। এই ছবিতে তিনি বিক্রম এর মা এবং মধুমিতার শাশুড়ি।

নামিদামি তারকাদের মধ্যে রয়েছেন নীল মুখোপাধ্যায় ছবিতে তার নাম প্রানতোষ।

তাকে আমার দেখতে পাবো ইন্দ্রানীর বিপরীতে।

ছবির গল্প অনুযায়ী দেখা যায় নতুন বিয়ে করেছেন মধুমিতা অর্থাৎ মিঠি কিন্তু বিয়ের পর তার পদবী

পরিবর্তন নিয়ে আপত্তি আর সেই নিয়ে দেখা দিয়েছে শশুর বাড়িতে সমস্যা।

অবশ্য ট্রেলারে আমরা দেখতে পাচ্ছি শাশুড়ি – বৌমার র মধ্যে সম্পর্ক কিন্তু বেশ মধুর।

নিজস্বতাকে বজায় রাখার জন্যই কি এই অপরিবর্তন, নাকি একটা চেষ্টা নিজের পরিচয় নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার?

অনেকটা সময় পেরিয়ে আসার পর নিজের পূর্বের পদবী হবে তার পরিচয় বলে ঘোষণা করেন ইন্দ্রানী।

তারপরে সম্পর্ক আরও মধুর হয়ে ওঠে শাশুড়ি – বৌমার মধ্যে এভাবে নানা বাধা – বিপত্তি পেরিয়ে লড়াই করে শেষ

পর্যন্ত কি তারা পারবে তাদের এই নিজস্বতাকে বাঁচিয়ে রাখতে, সেই প্রশ্নের উত্তর আমরা পাবো সুদীপ দাসের পরিচালিত এই ছবি “কুলের আচার”এ।

এই ছবিতে মধুমিতার (Madhumita Sarkar) চরিত্রের নাম মিঠি র বিক্রমের চরিত্রের নাম প্রীতম।

তারা একে অপরকে অনেকটাই ভালোবাসে।

বিয়ের পর পদবী পরিবর্তন করতে না চাওয়ার ব্যাপার টাকেও সমর্থন করে তার স্বামী কিন্তু আপত্তি দেখা দেয় মিঠির শশুর – শাশুড়ির তরফ থেকে।

গল্পে আমরা দেহতে পাই স্বামী – স্ত্রী মধুচন্দ্রিমায় বিয়ে ধরা পড়েছে পুলিশের হাতে।

তারা যে স্বামী – স্ত্রী তা মানতে নারাজ পুলিশ কারণ তাদের পদবীর অমিল।

আরো পড়ুন: Recipe: এবার তৈরি করে ফেলুন বাঁধাকপির চপ

Image source-Google